বিনোদন ডেস্ক :
প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সহধর্মিণী মেহের আফরোজ শাওন নিজেও জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী। তার পাশাপাশি তিনি নামকরা নৃত্যশিল্পী, সংগীতশিল্পী, পরিচালক ও আর্কিটেক্ট। গুণী এই শিল্পীই এবার খপ্পরে পড়েছেন প্রতারকের।
জনৈক প্রতারক নিজেকে ডেপুটি স্পিকার পরিচয় দিয়ে শাওনকে ফোন করে জানান, নুহাশপল্লীর উন্নয়নবাবদ অস্ট্রেলিয়া থেকে বড় অংকের একটি ফান্ড এসেছে, যা বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা আছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিবের মোবাইল নম্বরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
শাওন ওই মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে অন্য প্রান্ত থেকে নিজেকে উপসচিব পরিচয় দিয়ে ফান্ড ট্রান্সফারের জন্য সরকারি ফি বাবদ ৩১ হাজার ৮৫০ টাকা দিতে বলেন। ফাঁদে পা দেন শাওন। টাকা দিয়ে দেন প্রতারককে। পরবর্তীতে প্রতারকের নম্বর বন্ধ পেয়ে বিষয়টি বুঝতে পেরে নুহাশ পল্লীর ম্যানেজার বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ একজনের সম্পৃক্ততা পায়। এরপর বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. রবিউল ইসলাম (৪১) নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও ভুয়া রেজিস্ট্রেশন করা চারটি সিমকার্ড জব্দ করে ডিবি।
খবরটি প্রচারের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। তাদের মতে, মিডিয়ার এত কাছাকাছি কাজ করেও, গুণী-মেধাবী শিল্পীরাই যদি এমন প্রতারকের ফাঁদে পা দেন তাহলে সাধারণ মানুষ কী করবেন।
এদিকে, প্রতারণা এড়াতে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ।
