নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার পাটকেলাঘাটা থানার ধানদিয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগরে দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ জমি দখলের জবর-দখলের চেষ্টা। ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
সরেজমিন পরিদর্শন ও মামলার বিবরণে জানা যায়, কৃষ্ণনগর গ্রামের মোহাম্মদ আলী খাঁর পৈত্রিকসূত্রে ও ক্রয়সূত্রে ধানদিয়া মৌজার ২২৫৩, ২২৫৭ দাগের ৮৩ শতক জমিতে প্রতিপক্ষ মৃত হেদায়েত আলী (জায়েদ) খার পুত্র টিক্কা খাঁ, আতিয়ার সরদারের ছেলে আলমগীর সরদার ও তার বাহিনী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে জমিতে লাগানো মুলা, বরবটি ও লাল শাক জোরপূর্বক উঠিয়ে দিতে থাকে।
এসময় মোহাম্মদ আলীর পুত্ররা বাঁধা দিতে গেলে ভাড়াটে গুন্ডা বাহিনী দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দিতে থাকে বলে জানান জাকির খা।তিনি আরো বলেন, আমাদের পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে মুলা, বরবটি ও লাল শাক লাগানো ছিল। এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন মামলা চলছে। এবিষয়টি নিয়ে আদালতের একটি মামলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের উপর তদন্তভার পড়েছিল। এই মামলার তদন্তের পূর্বেই প্রতিপক্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জোরপূর্বক ফসল করতে থাকে। এসময় আমার ভাইসহ পরিবারের লোকেরা বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। কোন উপায় না পেয়ে আমি ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে সাহায্য চাইলে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে জমি দখল চেষ্টা বন্ধ করে। জমিতে চলমান মামলার রায় না পাওয়া পর্যন্ত এহেন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্য মৌখিকভাবে নির্দেশ দেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আলমগীর সরদার বলেন, আমি টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করে বিপদে পড়েছি। তাদের সঠিক ভাগ-বাটোরা নিয়ে ঝামেলা থাকায় ওই জমিতে আমি দখল দিতে গিয়ে ৭-৮ মাস পূর্বে হামলা মামলার স্বীকার হয়েছি।
টিক্কা খা বলেন, আমার জমি আমিন দিয়ে মেপে বুঝে নিচ্ছি। এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ অনেককে জানিয়ে আমিন এনেছি।
