হোম অর্থ ও বাণিজ্য দোকান বন্ধ করে পালাচ্ছেন তেল ব্যবসায়ীরা!

বাণিজ্য ডেস্ক :

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযান দেখেই পালাতে থাকেন দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের তেলের ডিও ব্যবসায়ীরা। সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করে দেওয়া হয় দোকানের শাটার। ভোক্তা অধিদফতর বলছে, বাজার কারসাজি ধামাচাপা দিতে তাদের এমন লুকোচুরি। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এদিকে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পাম তেল বিক্রি করায় চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের দুটি পাইকারি দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে সংস্থাটি।

তেলের ডিও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সোনামিয়া মার্কেটে ঢুকতেই একে একে বন্ধ করে দেওয়া হয় সব দোকানের শাটার। নিভিয়ে দেওয়া হয় বাতি। বেরিয়ে যেতে থাকেন ডিও ব্যবসায়ীরা।

ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানে ব্যবসায়ীদের এমন লুকোচুরিতে হতবাক সবাই। অধিকাংশ দোকানে নেই সাইনবোর্ড। এটিকে ব্যবসার জন্য অশুভ লক্ষণ উল্লেখ করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায় ভোক্তা অধিকার।

চট্টগ্রামের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, তাদের মধ্যে কারসাজি বা অনিয়ম রয়েছে। তাই দোকান বন্ধ করেছে।

তবে কোনো অনিয়ম নেই উল্লেখ করে তেলের ডিও ব্যবসায়ীরা জানান, মূলত আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করেছেন।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে খাতুনগঞ্জের তেলের পাইকারি বাজারে অভিযান শুরু করে সংস্থাটি। পাম তেল নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫-৬ টাকা বেশি নেওয়ায় মক্কা স্টোরকে ৫০ হাজার টাকা এবং আর এম কে ট্রেডার্সকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযান শেষে চট্টগ্রামের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্লাহ বলেন, এদের দোকানের সাইনবোর্ড নেই। তারা পর্দার অন্তরালে থেকে ব্যবসা করেন। ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন। তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলতে এসেছি। কিন্তু কোনো তথ্য পেলাম না।

উল্লেখ্য, খাতুনগঞ্জের পাঁচ হাজারের বেশি আড়তে বিভিন্ন দেশ থেকে সমুদ্র ও স্থলবন্দর দিয়ে নানা ভোগ্যপণ্য আসে।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন