হোম অন্যান্যসারাদেশ দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল

দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 64 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:
এবার অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী কারখানা ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)। আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে কাঁচামাল অ্যামোনিয়া সরবরাহ করা না হলে ডিএপিএফসিএল বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন কারখানাটির কর্মকর্তারা।

এ প্রসঙ্গে ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও বিভাগীয় প্রধান (প্রশাসন) আলমগীর জলিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বর্তমানে কারখানার অন্যতম কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার মজুত ফুরিয়ে আসছে। বর্তমানে যেটুকু আছে তা দিয়ে ১০ দিনের মতো উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, আমরা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে অ্যামোনিয়া পেয়ে থাকি। এ দুটি কারখানা আগে থেকে বন্ধ রয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ দুটি কারখানা চালু হয়ে অ্যামোনিয়া সরবরাহ না করে তাহলে ডিএপিএফসিএল বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।

গ্যাস সংকটে এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের দুই বৃহৎ সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)। এখন অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে ডিএপিএফসিএল।

জানা গেছে, দেশের কৃষি খাতে সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ক্রমবর্ধমান যৌগিক সারের (নাইট্রোজেন ও ফসফরাস-সংবলিত) চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন ডিএপিএফসিএল প্রতিষ্ঠিত হয়।

আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় দৈনিক ৮০০ টন ডিএপি সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পৃথক ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজ শেষে এ কারখানা ২০০৬ সাল থেকে সফলভাবে ডিএপি সারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে কারখানাটিতে দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন হচ্ছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন