আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
দাবানল আর দাবদাহে বিপর্যয়ের মুখে পর্তুগাল। একদিকে গরমে নাজেহাল জনজীবন। অন্যদিকে সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করেও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না আগুন। হতাহতের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি গৃহহারা অনেক মানুষ।
অত্যাধুনিক স্থলযান, হেলিকপ্টার, বিমানসহ সক্ষমতার পুরোটা ঢেলে দিয়ে দাবানল মোকাবিলায় কাজ করছে পর্তুগাল। তবুও কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছে না আগুন। ফায়ার সার্ভিসের কয়েক হাজার কর্মীসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা কাটাচ্ছেন নির্ঘুম রাত। তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষও। আহতদের মধ্যে দমকল কর্মীর সঙ্গে আছেন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীও।
রোববার (১৭ জুলাই) পম্বাল এলাকার দাবানলের প্রভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়কের ১৪৫ কিলোমিটার এলাকা। পুড়ে ছাই বিস্তীর্ন বনভূমি ও বিভিন্ন অঞ্চলের বসতঘর।
দাবদাহের পাশাপাশি দাবানল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তাপমাত্রা। বাইরে কাজ করা মানুষ রয়েছেন বেশি বিপাকে। গরমে নাভিশ্বাস প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও। সঙ্গে রয়েছে দাবানল থেকে মুক্তির প্রার্থনা।
রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশটিতে সক্রিয় দাবানলের সংখ্যা ২৩৪টি। সোমবার (১৮ জুলাই) মধ্যরাত থেকে রেড অ্যালার্ট উঠে গেলেও বহাল থাকছে অরেঞ্জ ও ইয়েলো অ্যালার্ট। প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ কর্তৃপক্ষের।
