হোম ফিচার ড্রেজিংয়ের বালু কৃষি জমিতে ফেলে জুলুম করছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ

মোংলা প্রতিনিধি :

পশুর নদীর ড্রেজিংয়ের বালু কৃষকদের ফসলি জমিতে ফেলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কৃষকদের সাথে জুলুম, অন্যায় ও অবিচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি প্রকৌশলী নিমাই গাঙ্গুলি। তিনি বলেন, কৃষিজমি নষ্ট ও কৃষকদের জীবন জিবীকা ধ্বংস করে কথিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মেনে নেয়া যায়না।

“কৃষক বাঁচাও উপকূল বাঁচাও দেশ বাঁচাও” শ্লোগানে শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় মোংলা শহরের চৌধুরীর মোড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপজেলার চিলা ইউনিয়নে কৃষিজমি রক্ষা সংগ্রাম কমিটির নেতা মোঃ আলম গাজীর সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা ও খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, এস এ রশিদ, কৃষক সমিতির খুলনা জেলার নেতা এ্যাডঃ রুহুল আমীন, মোংলা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নূর আলম শেখ, বাগেরহাট জেলা নেতা ফররুখ হাসান জুয়েল, খান সেকেন্দার আলী, হুমায়ুন কবির, বানিশান্তা ইউনিয়ন কৃষিজমি রক্ষা সংগ্রাম কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ মন্ডল, সত্যজিৎ গাইন, অশোক কুমার বৈদ্য, সঞ্জীব মন্ডল প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, কৃষকদের নামমাত্র ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে চিলা ও বানিশান্তা ইউনিয়নে বালু ফেলতে দেয়া হবে না। কৃষকদের মতামতের ভিত্তিতে এবং তাদের জীবন-জীবিকা রক্ষা করেই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের জন্য মোংলা বন্দরের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবী জানান তারা।

উল্লেখ্য মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের ড্রেজিংয়ের জন্যে ১৫’শ একর জমির প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে মোংলার চিলা ইউনিয়নে ৭’ শ একর এবং দাকোপের বানিশান্তা ইউনিয়নের ৩’ শ একর ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষিজমি। এসব জমির মালিকরা কোন ধরনের ক্ষতিপূরনের বিনিময়ে কৃষিজমিতে বালু ফেলতে দিতে চায় না।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন