খেলাধূলা ডেস্ক :
দক্ষিণ আফ্রিকার ৩৬৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে তিনশো ছুঁই ছুঁই সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। সব কটি উইকেট হারানোর আগে টাইগাররা করেছে ২৯৮ রান।
লিটন দাস যখন আউট হয়ে গেলেন তখন স্কোর বোর্ডে বাংলাদেশের রান ১৮৩। অনেকে মনে করছিলেন, আড়াইশোর ঘরই বোধ হয় পেরোতে পারবে না টাইগাররা। কিন্তু না, মাহমুদুল হাসান জয়ের দৃঢ়তায় চা-বিরতির আগে ২৫৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে মুমিনুল হক বাহিনী। তৃতীয় দিনে বাকি আছে আরও একটি সেশন।
চা-বিরতির আগে সেঞ্চুরি করেছেন জয়। জাতীয় দলের হয়ে জয়ের এটি প্রথম শতক। সেঞ্চুরি পূরণ করতে তার খেলতে হয়েছে ২৬৯ বল। যেখানে ১০টি চার ও একটি ছয়ের মার খেলেছেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে তার একটি হাফ সেঞ্চুরিও আছে। জয়কে সঙ্গ দিচ্ছিলেন ইয়াসির আলি চৌধুরী। দুজনের ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউটের শিকার হন এই ব্যাটার। ৩৭ বলে ২২ রান করেছেন তিনি। ৮১ বলে মিরাজ করেন ২৯ রান। এরপর মেরে খেলা শুরু করেন জয়। মুল্ডারের বলে টানা তিনটি চার হাঁকান তিনি। খালেদ আহমেদ উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন কিপারের হাতে। ৩২৬ বলে ১৫ চার ও ২ ছয়ে ১৩৭ রান করেন জয়।
তৃতীয় দিনের শুরুতে তাসকিন আউট হয়ে গেলে লিটন দাসকে নিয়ে দারুণ ঢঙে ব্যাট শুরু করেন জয়। তাদের জুটিতে এগোতে থাকে বাংলাদেশ। দুজনে মিলে লাঞ্চ বিরতির আগে গড়েন ৮২ রানের জুটি। ৫ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৮৩ রান। জয়ের ব্যাট থেকে ৮০ ও লিটনের ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। বিরতি থেকে ফিরেই লিটনের উইকেট হারায় টাইগাররা। লিজাড উইলিয়ামসের এক ডেলিভারিতে সরাসরি বোল্ড হন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৪১ রানে ফিরে যান লিটন, তিনি বল খেলেছিলেন ৯২টি।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪ উইকেটে ৯৮ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার জয় ও তাসকিন। এদের মধ্যে তাসকিন খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকবেন, তা হয়তো বেশির ভাগ মানুষই আশা করেনি। হয়েছেও তা-ই, দিনের শুরুতেই তাসকিনের উইকেট হারায় মুমিনুল হক বাহিনী। তাকে শিকারে পরিণত করেন লিজাড উইলিয়ামস।
প্রথম ইনিংসে সব কটি উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছিল ৩৬৭ রান।
