নিজস্ব প্রতিনিধি :
এবার ঘুষ দুর্নীতি ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এলজিইডির এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি সাতক্ষীরা এলজিইডির একজন হিসাব রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেন তখন বিষয়টি কেমন হয়? কিন্তু এই হিসাবরক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেন, তখন বিষয়টি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়?
সাতক্ষীরায় এলজিইডির হিসাবরক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান দীর্ঘ ৩০ বছর জাল ডিগ্রি সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরী করে আসছেন। এছাড়াও অসৎ উপায়ে দূর্নীতি, ঘুষ গ্রহন করে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। তার নামে ও বেনামে রয়েছে অগাধ সম্পত্তি। গড়েছেন অর্থের পাহাড়।
অফিসের কাজ ব্যতিরেকে সর্বদা দূর্নীতি জনগন/সরকারী নীরিহ কর্মচারীদের কাছ থেকে কৌশলে অর্থ আদায় করে চলেছে। শক্তিশালী দুষ্টচক্রের সাথে জড়িত থেকে ব্যাপক প্রভাব দেখায়। ফলে, তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
ইতিপূর্বে, তিনি বাগেরহাট জেলার মোড়েলগজ্ঞ উপজেলার হিসাবরক্ষক পদে দায়িত্বরত ছিলেন। সেখানেও তার দূর্নীতির কারনে তাকে বান্দরবনে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। এছাড়াও নানা সময়ে তার দূর্নীতির কারনে দেশের বিভিন্ন জেলায় তাকে বদলী করা হয়।
ইতিপূর্বে তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালীগজ্ঞ উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন সময় এলজিইডিতে সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকরী দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার দায়ে সেখান থেকেও বদলী করা হয়।
এ ব্যাপারে ভুক্তভুগিরা প্রশাসনের কাছে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
