জাতীয় ডেস্ক :
গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে জনগণের পকেট কাটার প্রকল্প হাতে না নিতে বললেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জলিল।
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গণশুনানির শেষদিন সকালে বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানির প্রিপেইড মিটার স্থাপন প্রকল্প নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ছয় মাস গ্যাসের দাম বাড়ানো স্থগিত রাখার আহ্বান জানান ভোক্তা প্রতিনিধিরা।
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর গণশুনানিতে এদিন রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে মিটারবিহীন দুই চুলায় গ্যাসের দাম ২ হাজার ১০০ টাকা করার প্রস্তাবনা এবং এর পক্ষে ব্যাখ্যা তুলে ধরে জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শোয়েব আহমেদ মতিন বলেন, আমাদের নেটওয়ার্কটা আপডেট করতে হবে। কারণ আমাদের নেটওয়ার্কটা অত্যন্ত পুরনো। সেটার পেছনে আমাদের খরচ আছে। গ্রাহক পর্যায়ে প্রিপেইড মিটার স্থাপনে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
এ সময় ভোক্তা প্রতিনিধিরা জানান, গ্যাসের প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের ৫০০ টাকা রিচার্জেই মাস চলে যায়। অথচ মিটারবিহীন চুলায় গ্রাহককে দিতে হচ্ছে ৯৭৫ টাকা।
শুনানিতে জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানি জানায়, সিলেট নগরীতে ৫০ হাজার প্রিপেইড গ্যাস মিটার স্থাপনে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ সময় এক গণমাধ্যমকর্মী আপত্তি তুলে জানান, বিতরণ সংস্থা থেকে মিটার কিনতে ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হয়। অথচ বাজার থেকে সরাসরি কেনা গেলে খরচ ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা কমে যেত।
এ বিষয়ে জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে ব্যাখা জানতে চান বিইআরসির চেয়ারম্যান। তবে সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
পরিস্থিতি বিবেচনায় বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য দাম নির্ধারণ করা হবে বলে জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান।
