জাতীয় ডেস্ক :
চুরি ছিনতাইয়ের পর মোবাইলের আইএমইআই (IMEI) নম্বর বদল। ব্যস্ত পথচারীদের টার্গেট করে বড় বড় মার্কেটের সামনেই কম দামে বিক্রি। রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতাসহ ৩১ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চক্রের মূলহোতাসহ ৩১ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এসময় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দেড় হাজার মোবাইল ফোন, ট্যাব, ল্যাপটবসহ আইএমইআই পরিবর্তন করার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
ঈদ ঘিরে নতুন পোশাকের পাশাপাশি মোবাইল কেনারও ধুম। এ সুযোগে বিভিন্ন মার্কেটের সামনে একটি চক্র বিক্রি করছে চুরি, ছিনতাই করা অবৈধ মোবাইল। তাদের টার্গেট মূলত পথচারী। কম দাম হওয়ায় কিছু মোবাইল ফোনের দোকানও কিনে বিক্রি করে অবৈধ এসব মোবাইল।
র্যাব বলছে, ছিনতাই করা ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে দেয় আরেকটি চক্র। এ কারণে ফোনগুলো খুঁজে পাওয়া যায় না। অপরাধীও থেকে যায় আড়ালে।
র্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজধানীর লালবাগ, সিদ্ধিরগঞ্জ, পল্টন, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম, মতিঝিল, খিলগাঁও, হাতিরঝিল, ওয়ারিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের ৩১ জনকে আটক করা হয়।
র্যাব-৩ এর সিও বলেন, গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে মো. রাকিব গুলিস্তান এলাকার চোরাকারবারী চক্রের মূলহোতা, মো. বিল্লাল হোসেন পল্টন এলাকার চোরাকারবারী চক্রের মূলহোতা, মো. পারভেজ রমনা এলাকার চোরাকারবারী চক্রের মূলহোতা, মো. নাছির উদ্দিন ওরফে পিন্টু শাহবাগ এলাকার চোরাকারবারী চক্রের মূলহোতা ও মো. ইউসুফ বেপারী মতিঝিল এলাকার চোরাকারবারী চক্রের মূলহোতা।
আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমরা গোপন সূত্রে খবর পাই আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে মোবাইল সিন্ডিকেট চক্র ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ মোবাইল কেনা-বেচার বাণিজ্য নিয়ে তৎপর রয়েছে। এসব মোবাইল ফোন বিভিন্ন মার্কেটের সামনে ভাসমান দোকানে গোপনে বিক্রি হচ্ছে। চক্রটি নানা সিন্ডিকেট হোতার যোগসাজশে ছিনতাই করা এসব মুঠোফোন কেনাবেচায় জড়িত।
গ্রেফতার সবাই দীর্ঘদিন ছিনতাই ও অবৈধ মোবাইল বেচাকেনায় জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
