হোম অন্যান্যসারাদেশ খুলনার লকডাউন এরিয়াতেও বিধিনিষেধ মানছে না কেউ

খুলনার লকডাউন এরিয়াতেও বিধিনিষেধ মানছে না কেউ

কর্তৃক
০ মন্তব্য 125 ভিউজ

খুলনা অফিস :

করোনা সংক্রমণ রোধে নগরীর দু টি ওয়ার্ড লকডাউন করা হলেও বিধি নিষেধ মানছে না কেউ। সংশ্লিষ্ট এরিয়া থেকে মানুষের প্রবেশ-বাহিরের ওপরও কোন নিয়ন্ত্রন আরোপ নেই প্রশাসনের। মানুষের মধ্যেও স্বাভাবিক ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। খোলা থাকছে দোকানপাটসহ সব ধরনের বিপনীবিতান।

গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিধি নিষেধের তোয়াক্কা না করে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিক সময়ের মতোই সবকিছু পরিচালিত হতে দেখা গেছে।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ায় ২৫ জুন থেকে নগরীর ২৪ এবং ১৭ নং ওয়ার্ড দুটি ১৪ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষনা করা হয়। এসময় ওয়ার্ড দুটির দোকানপাট, যানবাহন ও চলাচলের ওপর বিধি নিষেধ জারি করা হয়। তবে বিধি নিষেধ অনুযায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচাবাজার, মৌসুমী ফলের দোকান ও ফার্মেসি ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট, শপিংমল ও ফুটপাতের দোকান বন্ধ থাকার কথা থাকলেও ওয়ার্ড দুটির মধ্যে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান রোববারও খোলা অবস্থায় দেখা গেছে। অলি-গলির চায়ের দোকানেও চলছে জমজমাট আড্ডা।

গলির মুখে বাঁশ দিয়ে আটকে দেওয়া হলেও মানুষ তার ফাঁক দিয়েই বাইরে যাতায়াত করছে। এসব মোড়ে আবার পুলিশের প্রহরা রয়েছে। তা স্বত্তেও স্থানীয় লোকজন বের হচ্ছে দেদারছে। বিশেষ করে বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিরা অফিস যাচ্ছেন আসছেন। ফলে করোনা সংক্রমন ঠেকানোর যে উদ্দেশ্য নিয়ে লকডাউন দেওয়া হয়েছে তা ব্যহত হচ্ছে।

২৪ নং ওয়ার্ডের ইকবাল নগর, মুসলমানপাড়াসহ অধিকাংশ এলাকার চা ও মুদি দোকান খোলা রয়েছে। ১৭ নং ওয়ার্ডের মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা, সোনাডাঙ্গা এলাকা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ এরিয়ায় ঢুকলে মনেই হয় না যে লকডাউন দেওয়া রয়েছে। ছোট বয়রা এলাকার চায়ের দোকানদার মনোয়ার বলেন, পুলিশের গাড়ি দেখলেই দোকান বন্ধ করে দেই। দোকান না খুললে খাব কি।

খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, ‘লকডাউন বাস্তবায়নের কারনে গত কয়েকদিন খুলনায় করোনা রোগীর সংখ্যা কমেছে। তবে মানুষ সচেতন না হলে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়বে। এখনও যদি নিয়ম না মানে, তাহলে আরও ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে।’

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন