হোম জাতীয় ‘কৃষক কার্ড’ বণ্টনই হবে আমার অগ্রাধিকার: কৃষি প্রতিমন্ত্রী

‘কৃষক কার্ড’ বণ্টনই হবে আমার অগ্রাধিকার: কৃষি প্রতিমন্ত্রী

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 40 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:
নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের কৃষকদের সার, বীজ ও কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় কৃষি প্রণোদনা নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ বণ্টনের কাজ দ্রুত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে নিজ দপ্তরে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে এই কার্ড একটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে এবং দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবেন।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু তার প্রথম কর্মদিবসের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন যে, আজ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কাজ শুরু করছেন এবং তার অধীনে থাকা মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন।

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষক কার্ড কীভাবে এবং কত দ্রুত প্রান্তিক পর্যায়ে বণ্টন শুরু করা যায়, সেটিই হবে আমার প্রাথমিক কাজের কেন্দ্রবিন্দু।’ উল্লেখ্য যে, এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কেবল সরকারি সহায়তা বা সার-বীজই পাবেন না, বরং এর মাধ্যমে তারা আধুনিক কৃষিবিমার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের এই কৃষি প্রতিমন্ত্রী মনে করেন যে, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কৃষকদের সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তার আওতায় আনা জরুরি।

বিগত দিনগুলোতে বিএনপি সরকার গঠনের আগে যে ডিজিটাল কৃষি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এই ‘কৃষক কার্ড’ সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি বাস্তব প্রতিফলন। কার্ডটি স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরির বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন বলে জানিয়েছেন।

আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেও কৃষি খাতের এই অগ্রাধিকারমূলক বিষয়টি আলোচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রথম দিনে সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিশ্বাস করেন যে, সময়মতো সার ও বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারলে দেশের খাদ্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে এবং কৃষকরা তাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাবেন।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন