হোম জাতীয় কুষ্টিয়ায় ডাবল মার্ডার মামলায় ৫ আসামির যাবজ্জীবন

জাতীয় ডেস্ক :

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার আওয়ামী লীগ নেতা মেহেরুল ইসলাম ও কলেজ শিক্ষক মোহনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

রোববার (২৪ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে নিপু ওরফে কামাল রেজা, আড়ুয়াপাড়া এসবি রোডের আব্দুর রশিদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, ইদ্রিস আলীর ছেলে তারিক প্রামাণিক, ইয়াকুব আলী সড়কের নবির আলীর ছেলে রায়হান আলী, সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর এলাকার চাদ আলীর ছেলে সিদ্দিক ওরফে বাংলাভাই। সিদ্দিক ওরফে বাংলাভাই পলাতক আছে।

এ মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা ১০ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। মামলার এক আসামি পলাতক থাকায় বাকি আসামিদের উপস্থিতিতেই এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। পরে দণ্ড আসামিদের কড়া পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ আগস্ট কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বাজার এলাকায় একটি দোকানের পাশে বসে ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেরুল ইসলাম, কলেজ শিক্ষক মোহনসহ আরও কয়েকজন। এ সময় হঠাৎ মোটরসাইকেলে ৭ থেক ১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে আওয়ামী লীগ নেতা মেহেরুল ইসলাম এবং কলেজ শিক্ষক মোহন মারা যায়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় আরও কয়েকজন।

এ ঘটনার দুদিন পর ভেড়ামারা থানা এস আই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে এ মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১১ সালের ২২ জুলাই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আজমখান। পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রোববার মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন