জাতীয় ডেস্ক :
কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে প্রাণ গেল জীবন নামে এক কারখানা কর্মচারীর। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে পলাতক প্রধান আসামি বাবু।
মোবাইল ফোন হারানো নিয়ে ঘটনার শুরু। চোর সন্দেহে বন্ধুকে মারধর করার সময় বাধা দিতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল কারখানা কর্মচারী জীবন মাহমুদের।
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর কলেজ রোডে শুক্রবার (২৪ জুন) রাতে মোবাইল চুরি নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় কিশোর গ্যাং এর সদস্য বিজয় ও রাফির বন্ধু জীবন সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে তারা তিনজনই ছুরিকাঘাতে আহত হন।
বুক ও পেটে গুরুতর জখম নিয়ে তাদের ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন শনিবার (২৫ জুন) মারা যান জীবন।
স্থানীয়রা বলছেন, কিশোর গ্যাংয়ের ছেলেগুলো এখানে সেখানে ১০ থেকে ১২ জন করে করে আড্ডা দেয়। তারা অনেক কিছু করে। যৌন হয়রানিসহ অনেক ঝামেলা করে তারা।
নিহতের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলেকে চাকু দিয়ে আঘাত করা হয়। মানুষের মুখে খবর পেয়ে আমরা দৌড়ে যাই। গিয়ে দেখি রাস্তায় পড়ে আছে।’
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ জনকে আটক করা হলেও এখনও পলাতক প্রধান আসামি বাবু।
ডিএমপি কামরাঙ্গীরচর থানার উপ-পরিদর্শক মিলন হোসেন বলেন, ‘মারামারির ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছেন। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়। কী কারণে ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে।’
প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বিজয় বাসায় ফিরলেও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন রাফি।
