জাতীয় ডেস্ক :
এক সংরক্ষিত নারী ইউপি মেম্বারকে গণধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ফরিদপুর সদরে সংঘবদ্ধভাবে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ২৯ জুন বিকেলে সদরের মাচ্চর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (৪ জুলাই) ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবার বিষয়টি সংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে অভিযুক্তরা পালিয়ে থেকে এলাকার দুইজন প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মীমাংসা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ২৯ জুন বিকালে ভুক্তভোগী গৃহবধূ পাশের পিঠাকুমরা বাজার থেকে ফেরার পথে তিন যুবক জোরপূর্বক রাস্তার পাশে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। অভিযুক্ত যুবকরা শিবরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। পরবর্তীতে ঘটনাটি তার স্বামীকে জানানোর পর ওই গৃহবধূকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তবে সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগীকে বাড়িতে পাওয়া না গেলে মুঠোফোনে তার স্বামী বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ঘটনার সাথে স্থানীয় কয়েকজন যুবক জড়িত বলে জানতে পেরেছি।
তিনি বলেন, আমি এখন ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে আছি, সন্ধ্যায় থানায় গিয়ে মামলা করব।
এলাকাবাসী জানায়, অভিযুক্তরা ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল রয়েছে। যারা প্রত্যেকে নেশাগ্রস্ত। এদের দ্বারা আগেও একাধিক ঘটনা ঘটেছে কিন্তু তা প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পার পেয়ে গেছে। এ ন্যক্কারজনক ঘটনাটিও ধামাচাপা দেয়ার জন্য শিবরামপুর গ্রামের এক মেম্বার ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং ২ থেকে ৩ লাখ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মীমাংসার পায়তারা করছে বলে গুঞ্জন উঠেছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
