হোম আন্তর্জাতিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনায় বাইডেন-এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

মানবাধিকার নিয়ে উত্তেজনা ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ক্রয়ে তুরস্কের অনুরোধের মধ্যেই রোমে রোববার (৩১ অক্টোবর) দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হয়েছে।-খবর রয়টার্সের

এরদোগানকে বাইডেন বলেন, এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এছাড়া দুদেশের মধ্যকার মতানৈক্য ভালোভাবে সামাল দিতে ইতিবাচক মনোভাবের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিরক্ষা ও মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে দুদেশের মধ্যে কোন্দল রয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনায় তুরস্কের কাছে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রয়ের বিরোধিতা করছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা।

শনিবার মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, যে কোনো হঠকারী সিদ্ধান্তে দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার হবে না। আমাদের উচিত সংকট এড়িয়ে চলা।

এর আগে তুরস্কের কারাবন্দি ভিন্নমতাবলম্বী ওসমান কাভালাকে মুক্তি দিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের অনুরোধের পর তাদের বহিষ্কারের হুমকি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। যদিও পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি।

ইতিবাচক আবহের মধ্যে দুনেতার বৈঠকের কথা জানিয়ে তুর্কিশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, তুর্কি-মার্কিন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে দুই নেতা যৌথ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আলোচনার পদক্ষেপ ছাড়াও দুদেশের বাণিজ্যিক আকার বাড়াতে তারা একমত পোষণের কথা জানিয়েছেন।

এর আগে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের বিনিয়োগের বিনিময়ে এফ-১৬ বিক্রি করতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বলে জানিয়েছেন এরদোগান। রাশিয়া থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ের পর এফ-৩৫ প্রকল্প থেকে তুরস্ককে বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৪০টিলকহিড মার্টিন-নির্মিত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে তুরস্ক। পাশাপাশি বিমান আধুনিকায়নের ৮০টি যন্ত্র চেয়েছে আংকারা।

এরদোগান বলেন, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রকল্পে ফিরতে চাচ্ছে তুরস্ক। এ নিয়ে আলোচনা এগিয়ে চলছে। কারণে এই প্রকল্পে ইতিমধ্যে ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। সেই অর্থের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে হচ্ছে, তা নিতে বলা হয়েছে। তবে নতুন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিমান বহরকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন