হোম জাতীয় ইয়াবার পাশাপাশি সোনার ব্যবসায় রোহিঙ্গারা

জাতীয় ডেস্ক :

বাংলাদেশের ইয়াবা বিক্রি থেকে পাওয়া লাভের টাকা এবার মিয়ানমারে সোনা ব্যবসায় বিনিয়োগ করছে রোহিঙ্গা এবং মাদক ব্যবসায়ীরা। এখান থেকে টাকা পাঠিয়ে চোরাই পথে মিয়ানামার থেকে আনা হচ্ছে ইয়াবার পাশাাশি সোনার বার। চট্টগ্রামে র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৮টি সোনার বার, স্বর্ণালঙ্কার এবং সাড়ে তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ ৪ জনকে আটকের পর বের হয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য।

র‌্যাব-৭ উপ অধিনায়ক মেজর রেজোয়ানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৩০ জুলাই) ইয়াবার চালানের সন্ধানে কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব-৭ এর একটি বিশেষ টিম। অভিযানে সন্দেহভাজন একটি বাড়িতে ঢোকে র‌্যাব সদস্যরা। এসময় একজনকে হাতে-নাতে আটক করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই বাড়ির মাটি খুঁড়ে বের করে আনা হয় একের পর এক ইয়াবার প্যাকেট। শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে উদ্ধার হয় ৩ লাখ ৬৫ হাজার পিস ইয়াবা।

এ বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, ইয়াবার চালানের সঙ্গে আটক হওয়া দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। মূলত ইয়াবা বিক্রির লাভের টাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে সোনার বার আনা হচ্ছে। আবার সোনা বিক্রির সঙ্গে চক্রটির দুই সদস্যের অবস্থান শনাক্ত করা হয় সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে। সেখানে অভিযান চালিয়ে স্বর্ণালঙ্কারসহ আটক করা হয় দুই রোহিঙ্গাকে।

র‌্যাব জানায়, মিয়ানমারের মংডু থেকে সাগর পথে টেকনাফের সাবরাং এবং উখিয়ার বালুখালী হয়েই ঢুকছে ইয়াবা এবং সোনার চালান। আটক রোহিঙ্গা যুবক আসমত উল্লাহ বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে একবার সৌদি আরবেও গিয়েছিল।

এ পাচারকারী দলের বেশক’জনকে শনাক্ত করা হলেও তাদের অবস্থান মিয়ানমারে হওয়ায় আটক করা যাচ্ছে না। সোনার চালান আটকের ঘটনায় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড এবং ইয়াবা জব্দের ঘটনায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানায় আলাদা দু’টি মামলা করেছে র‌্যাব।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন