জাতীয় ডেস্ক :
আশুলিয়ায় সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় কয়েকজন সোনা ব্যবসায়ীকে নজরদারিতে রাখার কথা জানিয়েছে সিআইডি। গ্রেপ্তার হওয়া কয়েক ডাকাত সদস্যের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের উপর নজরদারি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তাধর বলেন, চোরাই সোনা কেনা এটাও কিন্তু অপরাধ। গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আমাদের জানিয়েছে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় এসব চোরাই সোনা বেচাকেনা হয়। সুতরাং যারা এই সোনা বেচাকেনার সাথে জড়িতদের তাদেরও আমরা আইনের আওতায় আনবো।
এ সময় তিনি জানান, সাভারের আশুলিয়া, নারায়নগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জে সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনতে দেশজুড়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এই চোর চক্রের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ জন। তবে আশুলিয়ায় ডাকাতির সাথে ২০ জন জড়িত বলে জেনেছে সিআইডি। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ডাকাত আনোয়ারের স্ত্রী শাহানা বেগম, কামাল খা ও মিন্টু ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
মূলত বর্ষাকালে নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে ডাকাতির জন্য টার্গেট করে। তারপর রেকি করে সময়মত ডাকাতি করে।
মুক্তা ধর বলেন, অভিযান চলছে। পর্যায়ক্রমে সবাইকেই আইনের আওতায় আনা হবে।
এর আগে গেল ৫ সেপ্টেম্বর সাভারের আশুলিয়া এলাকার নয়ারহাট বাজারে ১৮টি সোনার দোকান লুট করে একদল ডাকাত।
