আশাশুনি প্রতিনিধ :
আশাশুনি চাপড়ায় মসজিদ কমিটির সভাপতির কাছে পাওনা টাকা চাওয়া নিয়া সেক্রেটারীকে পিটিয়ে জখম পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের দক্ষিন চাপড়া বাসষ্টান্ড বাবরী মসজিদের।
এ ঘটনায় থানায় লিখিত এজাহারে জানা গেছে বাসষ্টান্ড বাবরী মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি দক্ষিন চাপড়া গ্রামের মৃত পিচির উদ্দীন সরদার এর পুত্র নজরুল ইসলাম এর কাছে মসজিদের পুকুরের হারী, আম বাগান আম, সজনি, মুরগীর বিক্রয়ের টাকা দিয়ে সর্ব মোট ১,১২,৬৭০/-টাকা পাওনা আছে। বর্তমানে মসজিদের এরিয়া প্রাচীরের ও উন্নয়ন কাজ চলছে। কাজের জন্য সভাপতির কাছে পাওনা এ টাকা চাহিলে আজ দেব কাল দেব বলিয়া তাল বাহানা করিয়া আসিতে থাকে।
একপর্যায়ে টাকা না দেওয়ার বিষয়টি শুক্রবার জুম্মার নামাযে আসা মুসল্লিদের জানাইলে সর্ব সম্মতিক্রমে টাকা পয়সা পাওনা দাওনা হিসাব নিকাশ নিয়ে বসাবসির সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঐ দিন রাত্র ৮.০০ ঘটিকার সময় মসজিদের ভিতরে মসজিদ কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম সহ কমিটির সদস্য ও মুসল্লিদের নিয়ে আলোচনাকালে কমিটির সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম টাকা পয়সার হিসাব নিকাশ দেওয়া মাত্রই কথাকাটাকাটির একপর্যায় সভাপতি নজরুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে হুকুম দিলে তার দলীয় দক্ষিন চাপড়া গ্রামের মৃত মুজিবর সরদার এর পুত্র খোরশেদ আলম, নজরুল ইসলাম সরদারের পুত্র ফয়সাল আহম্মেদ, জুলফিকার আলী ভুট্টুর পুত্র স্বপ্ন হোসেনকে সহ ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে এলোপাতাড়ী ভাবে পিটিয়ে জখম করে। সে মসজিদ চত্বেরে পড়ে গেলে তাহার জামার পকেটে থাকা মসজিদের আদায়কৃত ২৫,০০০/-জোর পূর্বক টাকা কেড়ে নেয় ও বলে শালাকে বাচাইয়া রেখে লাভ হবে না। শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে।
এ সময় মারপিট কারীরা মামলা মোকদ্দমা মসজিদে থেকে বাহির হয়ে আসলে মসজিদের মুসল্লি ও আসপাশের লোকজন হাত থেকে তাহাকে রক্ষা করে আশাশুনি হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে মসজিদ আহত কমিটির সেক্রেটারী শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কমিটি সভাপতি নজরুল ইসলাম সরদারকে প্রধান আসামী করে ০৮ জনের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে বাদীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় মারপিট কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন পূর্বক মসজিদের ১,১২,৭৬০/-টাকা উদ্ধারের দাবী জানিয়ে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ মসজিদের মুসল্লিরা।
