বিনোদন ডেস্ক :
একের পর এক ইস্যু নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের আঁতুড়ঘর বিএফডিসি কয়েক মাস থেকেই আলোচনায়। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে আলোচনার তুঙ্গে ছিল বিএফডিসি।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচন নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। সদস্যপদ স্থগিত ও প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায় বিষয়টি। এরই মধ্যে ২০২২-২৪ মেয়াদি নির্বাচনের সংশোধিত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচনী বোর্ড। তফসিলে আগামী ২০ আগস্ট নতুন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
গেল ২৩ মে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৯ মে উচ্চ আদালতে করা এক রিটের আদেশের পর নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচনী বোর্ড। এরপর ভোটার তালিকায় সংশোধনী আনে নির্বাচন কমিশন। এতে বাদ পড়েন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খোরশেদ আলম ও শামসুল আলম।
সংশোধিত নির্বাচন তফসিলে দেখা গেছে, ভোটার তালিকা সংশোধন করায় প্রার্থী, প্রার্থীর প্রস্তাবক ও সমর্থক ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। বাদ পড়ার কারণে সাধারণ সদস্যপদ প্রার্থী থেকে ১৫ জন ও সহযোগী সদস্যপদ প্রার্থী থেকে ৪ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি নোটিশ ও সংশোধিত প্রার্থীতালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তবে ভোটার তালিকা সংশোধনীর কারণে অনেকেরই প্রার্থিতা ও ভোট বাতিল হওয়ায় হাইকোর্টে যাবেন অনেকেই। এমনটাই জানালেন আলিমুল্লাহ খোকন।
সময় সংবাদকে তিনি বলেন, ‘এটি কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিজেদের ইচ্ছামতো তফসিল ঘোষণা করে দিল। এটি নিয়ে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।’
এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আগামী ২০ আগস্ট নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে। তাতে আগে বাতিল হওয়া সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খোরশেদ আলম ও শামসুল আলমের প্রার্থিতা ফিরে পান। অন্যদিকে অভিনেতা প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল, ও শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খানের প্রার্থিতা।
বিষয়টি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিয়ম মেনেই নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তফসিলে উল্লেখ আছে, সংশোধিত ভোটার তালিকা বাতিল হওয়া প্রার্থীদের নাম থাকলে পুনরায় ঘোষিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মনোনয়ন তুলে নির্বাচন করতে পারবেন তারা।
সংশোধনী তালিকায় বর্তমান সাধারণ ভোটার সংখ্যা ১০৮ ও সহযোগী ভোটার সংখ্যা ৬৮ জন। এদিকে ভোট বন্ধ হওয়ার আগে থেকে ১৯টি সাধারণ সদস্যপদের জন্য ৪০ ও ২টি সহযোগী সদস্যপদের জন্য ৪ জন লড়ছিলেন।
