জাতীয় ডেস্ক :
যানজট ও ফেরি পারাপারের ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখী মানুষ। বরাবরের মতো বাসে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ থাকলেও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন ভিন্ন কথা। জনদুর্ভোগ কমাতে মহাসড়কে উন্নয়ন কাজ বন্ধের পাশাপাশি ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখার অনুরোধ বাস মালিক সমিতির।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকালে বাস কাউন্টারগুলোতে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ করতে নাড়ির টানে ছুটছেন নগরবাসী।
ঘরমুখো মানুষরা জানান, ঈদের সময় বাড়তি চাপ, সড়কে যানজট আর ফেরি পারাপারে ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই নগরী ছাড়ছেন তারা।
কর্মক্ষেত্রে ছুটি শুরু না হলেও পরিবারের নারী ও শিশু সদস্যদের আগেই বাড়ি পাঠাচ্ছেন অনেকে।
এদিকে বরাবরের মতো বাড়তি ভাড়া আর সিডিউল বিপর্যের অভিযোগ থাকলেও যাত্রীদের এমন দাবির পেছনে নিজেদের পুরনো যুক্তি খাড়া করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
ঈদুল ফিতরে যানচলাচল নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ বন্ধ রাখার পাশাপাশি ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাস ট্রাক মালিক সমিতি।
বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, আপাতত রাস্তার উন্নয়ন কাজগুলো বন্ধ রাখলে গাড়িগুলো স্বাভাবিকভাবে যেতে পারবে। যে ফেরিগুলো আছে সেগুলো সচল থাকলেও মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।
এদিকে আসন্ন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। সড়কের জন্য কোথাও যেনো কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে আমরা সতর্ক রয়েছি।
রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ টার্মিনাল থেকে ঈদের সময় বাস চলাচল করে প্রায় ২০ হাজার।
