হোম জাতীয় দীর্ঘ হচ্ছে স্রোতের টানে ভেসে পর্যটকের মৃত্যুর তালিকা

জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে স্রোতের টানে ভেসে গিয়ে পর্যটকের মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। চলতি বছরের ৯ মাসে মৃত্যু হয়েছে ৭ পর্যটকের, আর ৮০ জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

পর্যটকদের অসচেতনতা ও নির্দেশনা অমান্য করাকেই দুষছেন সংশ্লিষ্টরা। আর লাইফ গার্ড কর্মীদের দাবি, সৈকতে লাখো পর্যটকের সমুদ্র স্নানে নিরাপত্তায় নেই পর্যাপ্ত লাইফ গার্ড ও উদ্ধার সরঞ্জাম।

১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে পর্যটন মৌসুম। এতদিন সৈকত শহর কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন কিছুটা কম হলেও এখন প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সমাগম হচ্ছে হাজার হাজার পর্যটকের। তারা আনন্দ আর হৈ-হুল্লোড় করতে নেমে পড়ছেন উত্তাল সাগরে। মানছেন না কোনো নির্দেশনা।

সৈকতের বিচকর্মী ও জেড স্কি চালকরা বলছেন, পর্যটক ও টিউব ব্যবসায়ীদের অসচেনতার কারণে সমুদ্রস্নানে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে।

হাজার হাজার পর্যটকের সমুদ্রস্নানের নিরাপত্তায় রয়েছেন মাত্র ৫ জন লাইফ গার্ডকর্মী। ওয়াচ টাওয়ারে দুজন, টহলে দুজন এবং পানিতে বোট নিয়ে একজন। উদ্ধারে রয়েছে মাত্র একটি বোট।

কক্সবাজার সি সেভ লাইফ গার্ড সংস্থার ইনচার্জ জয়নাল আবেদীনের দাবি, পর্যটকদের সমুদ্রস্নানে নিরাপত্তায় নেই পর্যাপ্ত লাইফ গার্ড কর্মী ও আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম।

পর্যটকদের সমুদ্রস্নানে নিরাপত্তায় লাইফ গার্ডকর্মী বাড়ানোর পাশাপাশি আরও উদ্ধার সরঞ্জামাদি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন মাসুম বিল্লাহ।

লাইফ গার্ড সংস্থা জানিয়েছে, গেল ৫ বছরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ৪৭০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন