স্টাফ রিপোর্টার, কেশবপুর (যশোর) :
কেশবপুর পৌর শহরে অন্যের ৭৫ বছর দখলে থাকা মালিকানাধীন জমির উপর ১৪৪ ধরা জারি করেছে বিরোধী পক্ষ । নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে কেশবপুর পৌর শহরের মধুসূদন দত্ত সড়কে ৭২ নং আলতাপোল মৌজার ১১৯০ আর এস খতিয়ানের ৮৫৩ আর এস দাগের ২৫ শতক জমি ৭৫ বছর পূর্বে এজাজুল হকের পিতা মৃত হাজী ইসমাইল হোসেন মোড়লের পৈতৃক সুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি তাদের দাদা মৃত তুফান মোড়লের ক্রয়কৃত জমি যার দলীল নং ১২৭৯ তাং ০৮/০৭/১৯৪৮।
৭৫ বছর পূর্বে মজিতপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী ইসমাইল হোসেন মোড়ল ৮৫৩ দাগের জমির উপর বসতবাড়ি ও দোকান ঘর তৈরি করে ব্যবসা ও বসবাস করে আসছে। মৃত হাজী ইসমাইল হোসেন মোড়লের ৬ পুত্র এজাজুল হক(৬০), মৃত রিজাউল হক (৫০) নুরুল হক(৫৫), সিরাজুল হক(৫০), এনামুল হক(৪৫), মাছুম বিল্লাহ (৪০) সহ তাদের ২ বোন রহিমা বেগম(৬৫) ও নাসিমা বেগম(৪৮) ঐ জমির বর্তনাম ওয়ারেশ।
এ ব্যাপারে মৃত হাজী ইসমাইল হোসেনের পুত্র হক ট্রেডার্সের মালিক নুরুল হক বলেন তাদের পৈতৃক সুত্রে পাওয়া ৮৫৩ দাগের ২৫ শতক জমির মালিক তারা নিজেই । বিগত ৪০ বছর পূর্ব হতে তারা ৬ ভাই তাদের দোকানে ব্যবসা করে আসছে। পিতার তৈরি করা পুরাতন ঘর বর্তমানে অনেকটা জরাজীর্ণ হওয়ায় তারা নতুন করে ঘর তৈরী শুরু করে। এরমধ্যে প্রতিবেশী ৮৫২ দাগের জমির মালিক মৃত জাবেদ মোড়লের পুত্র জনাব আলী মোড়ল ও মৃত আব্দুস সালামের পুত্র হাফিজুর রহমান গং তাদের নিজেদের ৮৫২ দাগের জমির উপর বিজ্ঞ আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারা জারী করে যার নং ৯৯৭/২২ তাং ০৮/০৯/২০২২। এর পরে থানা পুলিশের সহযোগিতায় বিরোধী পক্ষ্যের ৮৫৩ দাগের জমির উপর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে হয়রানি করছে। যার কারণে তারা যশোর সহকারী জজ আদালতে ইজাজুল হক বাদী হয়ে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন যার নং ৩৬১/২২ তারিখ ১৯/০৯/২০২২। বিনা কারণে বিরোধী পক্ষকে হয়রানি করতে একটি কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছেন। তাদের ৮৫২ দাগের জমির উপর তাদের ঘরবাড়ি ও দোকান ঘর সবই ঠিক আছে। আরো জানান তাদের ৮৫২ দাগের নিজেদের জমির উপর বিজ্ঞ আদালতের ১৪৪/১৪৫ ধারা জারী করে তারা অহেতুক বিরোধী পক্ষ্যের নিজেদের জমিতে নির্মাণ কাজে বাঁধা দিয়ে বিনাকারণে হয়রানি করে চলেছে।
এব্যাপারে বিরোধী পক্ষ্যের হাফিজুর রহমানের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন নুরুল হক গং তাদের প্রাপ্য জমির চেয়ে বেশি জমি দখল করে দোকান ঘর তৈরী করছে। যার কারণে আমাদের জমি কম হয়ে যাচ্ছে। আমাদের জমি বুঝে নেওয়ার জন্য আদালতের মাধ্যমে ১৪৪/১৪৫ ধারার জন্য বিজ্ঞআদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছি।
