বিনোদন ডেস্ক :
Intelligence quotient বা আইকিউ, বাংলায় যার অর্থ বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষার ফলাফল। আইকিউ পরিমাপের বেশকিছু পদ্ধতি থাকলেও নির্দিষ্ট কোনো সূত্র নেই। সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইকিউ নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।
কোন্ কোন্ দেশের মানুষের আইকিউ কেমন, তা নিয়ে ১৯৯টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’। আর এই তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে জাপান। ব্রিটিশ মনোবিদ ‘রিচার্ড লিন’-এর পরিচালিত কিছু সুপরিচিত ও ব্যাপকভাবে প্রচারিত গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত বিচক্ষণতা, দ্রুততা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তর দেয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এই আইকিউ নির্ধারণ করা হয়।
আইকিউ নিয়ে করা তালিকায় প্রথম ছয়টি দেশই এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত। শীর্ষ দশে থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যথাক্রমে জাপান, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, হংকং, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, বেলারুশ, ফিনল্যান্ড, লিচটেনস্টেইন ও জার্মানি। তালিকায় শীর্ষে থাকা জাপানের স্কোর ১০৬.৪৮ পয়েন্ট। অন্যদিকে সর্বনিম্নে থাকা নেপালের স্কোর মাত্র ৪২.৯৯ পয়েন্ট।
জনগণের গড় আইকিউ ৭৪.৩৩ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫০ তম। ৭৬.৭৪ পয়েন্ট স্কোর নিয়ে ভারত আছে ১৪৩তম অবস্থানে। ১২০তম অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের স্কোর ৮০ পয়েন্ট। এদিকে, দারিদ্র্যপীড়িত দেশ আফগানিস্তান গড় আইকিউয়ে ৮২ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে ১০৩ তম অবস্থানে।
আইকিউ টেস্ট খুবই বিতর্কিত একটি বিষয়, কারণ এর নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতি নেই। এদিকে, দেশভিত্তিক এই ‘আইকিউ’ তালিকা নিয়েও রয়েছে বেশ বিতর্ক। এমনকি ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ সাইটে তালিকার সঙ্গে লেখা রয়েছে, রিচার্ড লীনের গবেষণা ব্যাপকভাবে সুপরিচিত হলেও তা যথেষ্ট বিতর্কের জন্ম দেয়।
মানুষ কোনো যন্ত্র নয়। তাই শুধু বৈজ্ঞানিক সূত্র দিয়ে একটি মানুষকে বিচার করার অবকাশ নেই। এ ধরনের পরীক্ষা মানুষের বুদ্ধিমত্তার খুব সামান্যই পূর্বাভাস দিতে পারে বলে মত বিজ্ঞানীদের।
