জাতীয় ডেস্ক :
ভোলায় অনুমতি না থাকায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এদিকে কক্সবাজারের পেকুয়ায় একই স্থানে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সমাবেশ ডাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। অনুমতি না থাকায় পুলিশি বাধার মুখে পড়ে সমাবেশে অংশ নিতে পারেননি ভোলা-০২ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ৩১ জুলাই ভোলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ২ জন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে রোববার (২৮ আগস্ট) সকালে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপি। সমাবেশে যোগ দিতে রওনা হন হাফিজ ইব্রাহিম ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ ট্রুমমেনসহ অন্য নেতারা।
বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা শহরের যুগির ঘোলে পুলিশ তার গাড়িবহরে বাধা দেয়। বাধার মুখে সেখানে পথসভা করে ফিরে আসেন হাফিজ ইব্রাহিম। পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সমাবেশে যেতে বাধা দেয়ার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান নেতারা। বিএনপিদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, প্রশাসন পথে পথে বাধা দিচ্ছে। রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে জনসাধারণকে হুমকি দিচ্ছে।
এদিকে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সদরে একই স্থানে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের সমাবেশ আহ্বানকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। রোববার ভোর ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পেকুয়া বাজার ও চৌমুহনীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করার ঘোষণা দেয় উপজেলা বিএনপি। পরে একই সময়ে একই স্থানে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ পাল্টা কর্মসূচি দেয় পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ।
বিএনপির নেতারা বলেন, আমাদের নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ সবসময় বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে আন্দোলন করতেন। আমরা তার দেখানো দিকনির্দেশনায় আন্দোলন করে যাবো। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা বলেন, আমরা সমাবেশ করবো। তবে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করে কোন কিছু করার চিন্তাভাবনা আমাদের নাই। পেকুয়া উপজেলায় সকাল থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া মাইকিং করে উপজেলা প্রশাসন।
