হোম জাতীয় তিনি কখনো পুলিশের বড় কর্মকর্তা, কখনো আত্মীয়

জাতীয় ডেস্ক :

ছিলেন সিটি করপোরেশনের ইজারাদার। আদায় করতেন পার্কিং করা গাড়ি থেকে টাকা। হঠাৎ নিজেকে পরিচয় দিতে শুরু করেন পুলিশের বড় কর্মকর্তা। রাজধানী থেকে প্রতারককে গ্রেফতারের পর পুলিশ বলছে, শুধু নিজেকেই নয়, অনেক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের মামা-খালু পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি ও প্রতারণা করতেন দেওয়ান ইকবাল মাহমুদ।

দুই বছর আগেও রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় পার্কিং করা গাড়ি থেকে সিটি করপোরেশনের টাকা তুলতেন তিনি। বছর খানেক আগে নিজেকে পরিচয় দিতে শুরু করেন সদর দফতরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে। ভয়ভীতি দেখিয়ে শুরু করেন প্রতারণা।

গোয়েন্দা কার্যালয়, সিআইডিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে একসময় পদায়ন ছিল তার। পরিচয় আছে ঊধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে। এই পরিচয়ে শুরু করেন লোক ঠকানোর ধান্দা।

রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ইকবালকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ওয়াকিটকি, ডিবির জ্যাকেটসহ পুলিশের ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিসপত্র।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মশিয়ার রহমান বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা তার কেউ মামা, কেউ খালু এই পরিচয় দিতেন তিনি। চক্রের সদস্যরা পুলিশ, র‌্যাব, সিআইডির পোশাক ও নাম ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। কখনো কখনো ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আত্মীয় পরিচয় দিয়েও টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা।

অভিযুক্ত ইকবাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে কোথাও ডাকাতি কিংবা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন