জাতীয় ডেস্ক :
কক্সবাজার শহরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ইমন হাসান (১৮) নামে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের এক নেতা নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২২ জুলাই) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় কক্সবাজার পৌরসভার বড় বাজারের ছালাম মার্কেটের সামনে ইমন হাসানকে ছুরিকাহত করে দুর্বৃত্তরা।
নিহত ইমন সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পূর্ব মোক্তার কুলের বাসিন্দা ও বড় বাজারের খরুলিয়া পলিথিন হাউসের মালিক মো. হাছানের ছেলে। তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, বছর তিনেক আগে শহরের বইল্ল্যাপাড়ার বায়তুশ শরফ মসজিদের মাহফিল চলাকালীন কথা কাটাকাটির জেরে পৌরসভার পেষকারপাড়ার আবদুল্লাহ খানকে ছুরিকাঘাত করে ইমন ও তার সঙ্গীরা। আর এ ঘটনার বদলা নিতেই বৃহস্পতিবার রাতে ইমনকে পাল্টা ছুরিকাঘাত করে আবদুল্লাহ ও তার কয়েকজন সঙ্গী।
এ বিষয়ে নিহতের বাবা মো. হাছান বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জের ধরে আবদুল্লাহ ও তার সঙ্গীরা মিলে আমার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তিন বছর আগের ঘটনায় আবদুল্লাহর পরিবার মামলা করে। বিষয়টি সামাজিকভাবে তিন লাখ টাকায় মীমাংসা হয়। যার দুই লাখ টাকা ইতোমধ্যে আবদুল্লাহর পরিবারকে দেয়া হয়েছে। বাকি এক লাখ টাকা আদালত থেকে মামলা নামিয়ে নিলেই দেয়ার সিদ্ধান্ত দেন স্থানীয় মুরব্বিরা। সবকিছু সালিশিকারদের সিদ্ধান্ত মতেই হচ্ছিল। মামলা মীমাংসা দিতে আদালতে আবেদনও করেন মামলার বাদী। কিন্তু এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে আমার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে আহতাবস্থায় ইমনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে ইমন মারা যায়।’
কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি আগের হামলার বদলা নিতেই ইমনকে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যার সঙ্গে আবদুল্লাহসহ আরও যারা জড়িত, তাদের ধরতে অভিযান চলছে।’
