হোম অন্যান্যসারাদেশ কালিয়ায় সরকারি জমিতে দখল করে গড়ে ওঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা,উচ্ছেদের দাবী

নড়াইল অফিস :

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার যোগানীয়া, নড়াগাতী ও পুটিমারী বাজারে প্রভাবশালীদের ছত্রছাঁয়ায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য বহুতল ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন যাবত সরকারী খাস জমি দখল দখলবাজরা গড়ে তুলছে এ সকল প্রতিষ্ঠান। যার কারণে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। স্থাণীয় সচেতন মহলের দাবী- দ্রুত এ অবৈধ স্থাপনাগুলি উচ্ছেদ পূর্বক সরকারী সম্পত্তি দখলমুক্ত করা হোক।

যোগানীয়া বাজারের মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ে মো.শহীদুল ইসলাম নামের একব্যাক্তি জোর পূর্বক রাস্তার পাশে সরকারী জমিতে ঘর ওঠানোর অভিযোগ পেয়ে দেখা যায়, ওই বাজারে বন্দোবস্ত ছাড়া অসংখ্য দোকানঘর রয়েছে। এমনকি দোতলা ভবনও তুলেছেন মালেকা বেগম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহীর কর্মকর্তা কালু কাজীর স্ত্রী কয়েকটি দোকান তুলে ভাড়াও দিয়েছেন।

তার ছেলে জানান, নায়েবকে ম্যানেজ করে তারা এ পাঁকা ভবন তুলেছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেকে অবগত করলে ১০ মে কালিয়া ভূমি অফিসের সর্ভেয়ার মো.আজগর আলী সরেজমিনে মেপে ওই সকল দোকানপাট ও ভবন সরকারী জমিতে অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন। তিনি আরো জানান, ওই বাজারের রেজোয়ান মাষ্টারের সেমীপাঁকা দোকানঘর ও গনপতি মাষ্টারের টিনের দোকানঘর তুলে ভাড়া দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে মোস্তাফা গাজী ও আলম গাজী নামে দুই ভাই চায়ের দোকান তুলে নিজেরাই ব্যবসা করছেন। এছাড়া বাজারের ভিতরে কোন বন্দোবস্ত ছাড়াই ভূয়া মেজর পরিচয়দানকারী একাধিক মামলার আসামী আব্দুর রহিম ওরফে দবির নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দু’টি আধা পাঁকা দোকানঘর রয়েছে । তবে গনপতি মাষ্টার হাল রেকর্ডের কাগজ আছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

বাঐসোনা ইউপির ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য মো. কামরুল ইসলাম জানান, এত বড় বাজারে একটি পাবলিক টয়লেট না থাকায় বরাদ্দ এনেও অবৈধ দখলদারদের কারণে জায়গা না পাওয়ায় নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্ত সাপেক্ষে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন