হোম জাতীয় সিলেটের ধোপাদিঘীর পাড়ের ওয়াকওয়েতে ‘ল্যাম্পপোস্ট’ বাধা!

জাতীয় ডেস্ক :

সিলেট নগরের ধোপাদিঘীপাড়ের ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কারা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন কাজে থাকা সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের বাধা দিয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বলারও অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে সিলেট নগরের ধোপাদিঘী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সিলেটের ভারপ্রাপ্ত কারা উপমহাপরিদর্শক মো. কামাল হোসেন বলেন, ধোপাদিঘীর পাড়ের খালি জায়গাটি কারা অধিদফতরের। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এর দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, তবে শুনতে পেয়েছি সেখানে সিটি করপোরেশনের ইলেকট্রিকের খুঁটি বসানো হচ্ছে। যেহেতু সেটি কারা কর্তৃপক্ষের জায়গা অর্থ বরাদ্দ হয়েছে একই মানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য। কারা অধিদফতরের নিজস্ব জায়গায় অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী অস্থায়ী কোনো স্থাপনা করার সুযোগ নেই।

কামাল হোসেন বলেন, যে সীমানায় ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হচ্ছিল সেটি তাদের (সিটি করপোরেশন) নয়। কারা কর্তৃপক্ষ কারো স্বার্থ বিরোধী কাজ করছে না। কিংবা সিটি করপোরেশনের কাজের বিরোধিতাও করছে না।

এদিকে খবর পেয়ে বেলা ১২টার দিকে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের কাছ থেকে খুঁটি স্থাপনে বাধা দেওয়ার বিষয়টি শুনেন।

পরে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সকালে হঠাৎই কারা সদস্যরা ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনে বাধা দিয়ে সেগুলো তুলে ফেলতে ধাক্কাধাক্কি করে খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আসি।

তিনি বলেন, ধোপাদিঘীর সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করা হচ্ছে। এখানে একাধিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জেলা প্রশাসক পরিদর্শন করেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকে আমাদের সঙ্গে অসহযোগিতা করছেন। প্রতিদিন ধোপাদিঘীতে সময় কাটাতে মানুষ ভিড় করেন। বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তার জন্য লাইট বাসানোর কাজ করা হচ্ছিল এতে সিলেটের ডিআইজি প্রিজন্সের নির্দেশে কারা সদস্যরা বাধা দিয়েছেন।

অপরদিকে বেলা দুইটার দিকে ধোপাদিঘীর পাড়ে যান সিলেটের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন। এ সময় তিনি মেয়রের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানালেও সংবাদ মাধ্যমে কথা বলতে চাননি।

বেলা সোয়া দুইটার দিকে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ৮ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটে আসবেন। তিনি সিলেটে এসে জায়গাটি পরিদর্শন করবেন এবং ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের বিষয়টি নিয়েও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। সে সময় পর্যন্ত আমরা অপেক্ষ করব এবং অন্যান্য কাজ চলমান থাকবে বলে জানান মেয়র।

গত ১১ জুন ভারত সরকারের অর্থায়নে ‘ধোপাদিঘী এরিয়া ফর বেটার এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড বিউটিফিকেশন’ নামে প্রায় ২২ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন