হোম ফিচার আন্দোলনের শক্তি নেই বিএনপির, গণতন্ত্র ধ্বংসে তৎপর: কামরুল ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক :

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার জন্য সব প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করার জন্য বিএনপি তৎপর হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

শুক্রবার (৬ মে) শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে আসবে না বলে নানা মন্তব্য করে তারা মাঠ গরম করার চেষ্টা করছে, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এখন থেকেই তারা নির্বাচন নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। কিন্তু আন্দোলন করবার মতো বিএনপির নিজস্ব কোনো সাংগঠনিক ক্ষমতা নেই।’

আগামী নির্বাচনেও দেশের মানুষ শেখ হাসিনার পক্ষে রায় দেবে, আওয়ামী লীগের পক্ষে রায় দেবে জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে মানুষ বিএনপিকে আগের মতো ভবিষ্যতেও প্রত্যাখ্যান করবে।’

এসময় আন্দোলনের কথা না বলে, অগণতান্ত্রিক কথা না বলে বিএনপিকে নির্বাচনে মনোনিবেশের চেষ্টা করতেও অনুরোধ করেন সাবেক এই খাদ্যমন্ত্রী। বলেন, যতই অভ্যুত্থান করার চেষ্টা করবেন, খুচরা দল নিয়ে যতই জোট গঠন করবেন, লাভ হবে না। তার ফলাফল শূন্যই হবে।

কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী নির্বাচনে তামাশার অংশগ্রহণ নয়, শক্তিশালীভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য প্রক্রিয়া গ্রহণ করুন। আমরা একটি শক্তিশালী বিরোধী দল চাই। বিএনপি সেই বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হবে সেটাই প্রত্যাশা।

সাবেক খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে তারা বড় বড় কথা বলছেন কিন্তু ২০০১ এক থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যখন তারা ক্ষমতায় ছিলেন, তখন আওয়ামী লীগকে রাস্তায় দাঁড়াতে দেয়নি, আন্দোলন করতে দেয়নি।

অথচ আজ তারা মিছিল করছেন, মিটিং করছে। গণতান্ত্রিক সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন তারা। অথচ এক সময়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের ফুটপাতে দাঁড়াতে দেয়নি। তাদের সময়ে দেশকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে।

আহসানউল্লাহ মাস্টারের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, শ্রমিকদের মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার জন্য তিনি ছিলেন সচেষ্ট। সাধারণ মানুষের প্রতি, কর্মীদের প্রতি তার ভালোবাসা ছিল নজিরবিহীন। একজন শিক্ষক থেকে আহসান উল্লাহ মাস্টারের শ্রমিক নেতা ও একজন সংসদ সদস্য হয়ে ওঠা অনেক বড় ব্যাপার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কামরুল ইসলাম বলেন, যারা তাকে হত্যা করেছে , হত্যার রাজনীতি মধ্য দিয়ে যাদের রাজনীতি শুরু হয়েছিল, সেই অপশক্তি বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল ।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন