হোম ফিচার কিশোর গ্যাং: অনলাইনে ছুরি কিনে ফাহিমকে হত্যা করে সজল

জাতীয় ডেস্ক :

অ্যাডভেঞ্চার হয়েই অনলাইন থেকে কিশোর সজল কেনে ছুরি। আর সেই ছুরি দিয়েই খুন করে কিশোর ফাহিমকে।

শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী দুই কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বে কিশোর ফাহিম হত্যা হলেও রহস্য উদঘাটন হয়নি।

তবে একটি ভিডিও সূত্র ধরে উদঘাটন হয় হত্যা রহস্য। আসল হত্যাকারী সজলকে কিশোরগঞ্জ থেকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয় হত্যায় ব্যবহার হওয়া দুটি রক্তমাখা ছুরি।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ফাহিমকে ছুরিকাঘাতের পর দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের একটি অংশ।

আধিপত্য নিয়ে দুই কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বে শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলীতে খুন হয় কিশোর ফাহিম। যদিও এতদিন ক্লু না থাকায় নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কূলকিনারা পাচ্ছিল না পুলিশ। তবে একটি ভিডিওর সূত্র ধরে উদঘাটিত হয় হত্যা রহস্য।

সোমবার (১৮ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকারী সজলকে আটক করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) সকালে দামপাড়া মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. আবদুল ওয়ারিশ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা সজলকে কিশোরগঞ্জ থেকে আটক করেছি। তবে আরও যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। আমরা দ্রুত তাদের আটক করতে পারব।

আসামি সজলের তথ্যের সূত্র ধরে পাহাড়তলী সরাইপাড়ার তার বন্ধু রাজুর বাসা থেকে হত্যায় ব্যবহার হওয়া রক্তমাখা দুটি চুরিও উদ্ধার করা হয়। যেগুলি অনলাইন থেকে হত্যার আগেই কিনেছিল সজল।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অ্যাডভেঞ্চার হয়েই সজল ছুরিটি কেনে। সেটি দিয়ে ফাহিমকে হত্যা করে। আমরা সব সময় অভিভাবকদের সতর্ক করি তাদের নজরে রাখতে।

গত শুক্রবার রাতে পাহাড়তলীর দুলহান কমিউনিটি সেন্টারের সামনে মেলায় ফাহিমের বন্ধু অভির সঙ্গে আরেকটি গ্যাংয়ের ঝগড়া হয়। পরে দুই গ্যাংয়ের সদস্যরা সংঘবদ্ধ হয়ে জড়ো হলে সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে নিহত হয় কিশোর ফাহিম।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন