হোম আন্তর্জাতিক সৌদির সঙ্গে রাশিয়ার ওপেক প্লাস চুক্তি বলবৎ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ওপেক প্লাস-এ রাশিয়ার সঙ্গে করা চুক্তি বলবৎ রাখবে সৌদি আরব।

ইউক্রেনে হামলার পর মস্কোর ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি চলার মধ্যেই মঙ্গলবার (১ মার্চ) তারা এ ঘোষণা দিল।

ওপেক প্লাস পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশ এবং এর মিত্র দেশগুলোর সংগঠন। ২০২০ সালে জ্বালানির বাজারে মন্দার পর ঐতিহাসিক কম উৎপাদনের জট ছাড়াচ্ছে সংগঠনটি।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে রিয়াদ ও মস্কোকে একত্রিত হয়ে একসঙ্গে জ্বালানির বাজারের অবস্থা উন্নয়নের কথা বলেন।

গত সাত বছরের মধ্যে এই সপ্তাহেই তেলের দাম বেড়েছে এবং কম জোগান ও ব্যাপক নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়া থেকে অনিয়মিত রফতানির কারণেই এমনটা হয়েছে।

আগস্টের পর থেকে যেভাবে উৎপাদন বেড়েছে, তা ভালো চোখেই দেখবে যুক্তরাষ্ট্র। সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের মতো কিছু দেশেরই তেল সরবরাহের ক্ষমতা আছে এখন।

ওপেক প্লাসের সর্বশেষ সভায় (২ ফেব্রুয়ারি) মার্চ মাসে প্রতিদিন চার লাখ ব্যারেল উৎপাদন বাড়াবে বলে জানানো হয়েছিল।

অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে। রাশিয়ার তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় বুধবার (২ মার্চ) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সাম্প্রতিক লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম লাফিয়ে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ দশমিক ২০ ডলার হয়। একপর্যায়ে তা প্রায় ৮ শতাংশ বেড়ে ১১৩ দশমিক শূন্য ২ ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে। এটি ২০১৪ সালের জুন মাসের পর একক দিনের সর্বোচ্চ।

এদিকে বুধবার সকালে মার্কিন অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) আরও ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৪২ ডলারে পৌঁছায়। এদিন ডব্লিউটিআই দাম ব্যারেলপ্রতি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১১১ দশমিক ৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়, যা ২০১৩ সালের আগস্ট মাসের পর সর্বোচ্চ।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ এবং ক্রেমলিনের ওপর নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়ার তেল সরবরাহ ব্যাহত হবে। তেলের এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়া যেন সেটিই সুস্পষ্ট করে দিচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির সদস্যরা জরুরি ভিত্তিতে বাজারে ৬০ মিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানি তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর এক দিন পরই তেলের দাম এ মাইলফলক পেরোলো।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন