কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নদী নামে ৪ বছরের এক শিশুকে তুলে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে বাড়ির মালিক সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনায় পুলিশ সোহেল মিয়াকে আটক করে। সে পলতাকান্দা গ্রামের মৃত মজিদ মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পরিবার জানায়, ৫/৬ মাস পূর্বে তারা শহরের পলতাকান্দা গ্রামে সোহেলের বাড়িতে ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। গত কয়েকদিন ধরে সোহেল নদীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। সাঁড়া না দেওয়ায় সোহেল প্রায়ই নদীকে উত্যক্ত করতো। মঙ্গলবার রাতে সোহেল পূর্ণরায় কু-প্রস্তাব দেয়। ব্যর্থ হয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে নদীকে মুড়ি খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে তুলে নিয়ে যায়। নদীকে খুঁজে না পেয়ে এলাকার মসজিদের মাইকে ও আত্নীয়-স্বজনের সহায়তায় খোজাঁখোজি করা হয়।
অবশেষে রাত ১২টার দিকে ভৈরব থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রাত সাড়ে ১২টার দিকে পলতাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্ব পাশে ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানার ঝোঁপ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।
ভৈরব থানার পরিদর্শক তদন্ত মোঃ তারিকুল আলম জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, ধারণা করা হচ্ছে গলায় গামছা বা কাপড় প্যাচিয়ে শ্বাসরোধে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে কিভাবে মারা গিয়েছে শিশুটি। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেলকে আটক করা হয়েছে।
