জাতীয় ডেস্ক :
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. জাহিদ মালেক বলেছেন, বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) থেকে সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে। যদি আইন না মানা হয় তাহলে জরিমানা করা হবে।
বুধবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। প্রতিদিন আক্রান্ত বাড়ছে, এখন হাসপাতালে এক হাজারের বেশি রোগী। আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে হাসপাতালে রোগী বাড়ার সংখ্যা আরও বাড়বে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাণিজ্য মেলা কিংবা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে কিনা সেটা দেখার জন্য অন্য অথরিটি আছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের কাজ সচেতন করা।
এদিকে করোনার সংক্রমণ রোধে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধসহ ১১ দফা বিধিনিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সেগুলো হলো: দোকান, শপিং মল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব ধরনের জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। না পরলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে; ২. অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে; রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার সনদ দেখাতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন ও মাস্ক পরার বিষয়ে মসজিদে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। প্রজ্ঞাপনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
গণপরিবহনে অর্ধেক আসনে যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে— ট্রেন, বাস ও লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেকসংখ্যক যাত্রী নেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকারিতার তারিখসহ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে। সব ধরনের যানবাহনের চালক ও সহকারীদের অবশ্যই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেওয়া থাকতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কোভিড আক্রান্তের হার ক্রমবর্ধমান হওয়ায় উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সমাবেশ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে। ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত তারিখের পরে ভ্যাকসিন সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
