আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-কুয়েত সরাসরি চলাচলের অনুমতি পেলেও সিডিউল ঘোষণা না হওয়ায় এই সুবিধা নিচ্ছে কুয়েত এয়ারওয়েজ ও আল জাজিরা এয়ারলাইন্স।
বিমানের ফ্লাইট চালু না হওয়ায় প্রবাসী যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে টিকিটের অতিরিক্ত ভাড়া। এতে হতাশা জানিয়েছেন প্রবাসীরা। করোনা মহামারির ধকল কাটিয়ে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে কুয়েতের জনজীবন।
সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে শতভাগ কর্মযজ্ঞ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খুলে দেয়া হয়েছে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া প্রবাসীরা তাদের কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন।
কুয়েত সরকার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং কুয়েত এয়ারওয়েজ এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু কুয়েত এয়ারওয়েজের টিকিটের দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ দিনার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় এক লাখ টাকা গুণতে হচ্ছে।
টিকিটের চড়া মূল্যের কারণে অনেক প্রবাসী কুয়েত ফিরতে পারছেন না।আগে ঢাকা কুয়েত রুটে বাংলাদেশ বিমান ও কুয়েত এয়ারওয়েজ এই দুটি ফ্লাইটে প্রবাসীরা ১০০ থেকে ১৫০ দিনার এর মধ্যে টিকেট কিনতে পারতেন।
কিন্ত বর্তমানে শুধু কুয়েতে প্রবেশ করতে খরচ হচ্ছে তার তিন গুণ। এর কারণ হিসেবে তারা মনে করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স কর্তৃপক্ষ সিডিউল না দেয়ার কারণেই কুয়েত এয়ারওয়েজ এই সুবিধা নিচ্ছে।
