জাতীয় ডেস্ক :
‘২১ বছর সরকারে থেকে তারা (বিএনপি) দেশকে উন্নত করল না। দেশের উন্নতি সম্ভব, তা প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ। ওদের (বিএনপি-জামায়াত) চক্রান্তের মধ্যেই আমরা দেশকে এগিয়ে নিচ্ছি।’ এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জেলে বসে লিখেছিলাম, দেশ কিভাবে উন্নত হবে।’
শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সভায় এ কথা বলেন তিনি। হোটেল লোটে নিউইয়র্ক প্যালেসের ভার্চুয়াল সভা কক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী এতে যুক্ত হন।
নিউইয়র্ক সফরের পঞ্চম দিনে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া এই নাগরিক সংবর্ধনা সভায় অন্যপ্রান্তে হোটেল ম্যারিয়টে থেকে যুক্ত হন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতারা। মিসিগান, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, সানফ্রান্সিসকো, ওয়াশিংটন ডিসি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও অনলাইন সংযুক্ত ছিলেন প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা দেশের উন্নয়ন চোখে দেখতে পাচ্ছে না। বিএনপি-জামায়াতের টাকায় দেশের বিরুদ্ধে বিদেশের মাটিতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে দেশে কেউ না খেয়ে মরেনি। দেশে মঙ্গাও হয়নি। অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করি।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি দুই-বছর, তিন বছরের পরিকল্পনা নিতো। তারা কখনো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করেনি। অথচ করোনাতেও এখন উন্নয়নের চাকা থামেনি বাংলাদেশের।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া-এরশাদ-খালেদা কেউ কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেনি। ২০০৯ থেকে ২২ হাজারের বেশি চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে যারা অবৈধ সরকার বলে, তারা এই বলার সুযোগ কোথায় পাচ্ছে। বৈধ আর অবৈধ যাই হই না কেনো, ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি বলেই তো, তারা সেই সুযোগটা পাচ্ছে। এতো নীতি আদর্শ থাকলে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করছে কেন?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করাই বিএনপির কাজ। বিভিন্ন অ্যাপসে নানান কথা বলেই বেড়াচ্ছে। যারা সমালোচনা করেন, তা কে কতজন মানুষের জন্য কাজ করেছে। সেটার উত্তর কী তারা দিতে পারবেন? বিএনপিকে বলব, তাদেরকে তো কাজে পাওয়া যায় না।
শেখ হাসিনা বলেন, দূরদেশে বসেই অনেকে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। আমরা কাজ করে দেশকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছি, আর তখন তাদের কাজ হলো, বাংলাদেশকে কিভাবে খাটো করবে।
