হোম অন্যান্যসারাদেশ প্রতিবন্ধির বসত বাড়ী থেকে উচ্ছেদ সে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আশাশুনি শোভনালী দফাদার আব্দুস ছাত্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগটির সত্যতা পাওয়া যায়নি

আশাশুনি প্রতিনিধি :

আশাশুনি শোভনালী ইউনিয়নের দফাদার আব্দুস ছাত্তারের রিরুদ্ধে প্রতিবন্ধির বসত বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করা সহ তার পরিবারের লোকজনের মারপিট করেছে এমন থানায় দায়েরকৃত অভিযোগটি বানোয়াট, ভিত্তিহীন এর কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ ঘটনাটি উপজেলার শোভনারী ইউনিয়নের গোদাড়া গ্রামে।

এ বিষয় থানায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এসআই অভিক বড়াল পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সরেজমীনে এ ঘটনার তদন্তকালে গ্রামের লোকজন বলেন প্রতিবন্ধির বড়ীঘর থেকে উচ্ছেদ করার ও তার মা , স্ত্রী ও তার ছোট ভাইকে মারপিট করেছে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। আমরা আজ জানতে পারলাম মনিরুল ইসলাম মধু প্রতিবন্ধি।

আসল ঘটনা হলো দফাদার আব্দুস সাত্তারের জামাই মেয়ের নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে বসবাসকৃত ঘরবাড়ী ভাংচুর, মালামাল তছরুপ করে মধু গংরা। তাদের বিরুদ্ধে দফাদার সাত্তার বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এ ঘটনা থেকে বাঁচতে উল্টা দফাদার সাত্তারের বিরুদ্ধে এমন কল্প কাহিনী সাজিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করে। এর পর পুলিশ উভয় পক্ষের শান্তি শৃঙ্খলা রাখার নির্দেশ দিয়ে জমির স্ব পক্ষে কাগজ পত্র নিয়ে থানায় হাজির হওয়ার কথা বলেন।

উভয় পক্ষের কাগজ পত্র পর্যারোচনা করে দেখা যায় শুধু মাত্র জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে এ নিয়ে দফাদারের জামাই মেয়ের ঘর বাড়ী ভাংচুর করাসহ মালামাল তছরুপ করা হয়েছে প্রমানিত হয়। পুলিশ উভয় পক্ষকে স্থানীয় ব্যক্তি বর্গের মাধ্যমে শান্তি স্থাপনের জন্য বিষয়টি আপোষ মিমাংসা করে নিতে বলা হয়। এতে তারা রাজি না হয়ে হয়রানী করার জন্য সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে প্রতিপক্ষ মনিরুল ইসলাম মধু নিজেকে প্রতিবন্ধি দাবী করে দফাদার আব্দুস ছাত্তারের রিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলনকালে সংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে গত ইং ৮সেপ্টেম্বর প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। এ বিষয় দফাদার আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের কাছে আবেদন করেন। আবেদনের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা সরেজমীনে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি অনুসন্ধান করার জন্য শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান সহ আশপাশের লোকজনের কাছে এ ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন শোভনালী গোদাড়া গ্রামের দফাদার আব্দুস সাত্তার তার মেয়ে জামাইয়ের একই গ্রামের মৃত ইনতাজ আলীর পুত্র আইয়ুব আলী গাজীর কাছ থেকে গোদাড়া মৌজায় ৪৩ নং এসএ খতিয়ানে ২৯৮, ২৯৯,৩০০ সহ আরও অন্যান্য দাগে বসত ঘরসহ ৮শতক জমি ১/৪/২০২১ তারিখে ১৫৩৬নং কোবলা দলিল সম্পাদন করে। রেজিষ্ট্রির হওয়ার ২দিন পর ৩/৪/২০২১তারিখে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে করে নিয়ে বিক্রেতা আইয়ুব আলী গাজী দলিল গ্রহিতাকে ঘরসহ ৮শতক জমির শান্তিপূর্ন দখল বুঝে দেন। দখল বুঝে নেওয়ার পর থেকে শান্তিপূর্নভাবে জামাই মেয়ে বসবাস করে আসছে।

কিন্ত সে সময় কাহারোর কোন দাবী না থাকলেও এরপর বিগত ৫মাস পর বিক্রেতা আইয়ুব আলী গাজীর বোনের ছেলে নিজেকে প্রতিবন্ধি পরিচয় দিয়ে এ জমি তাদের দাবী করে দফাদার আব্দুস সাত্তারের জামাই মেয়েকে ওই জমি থেকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘরবাড়ী ভাংচুর করে জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনা ধামা চাপা দিতে মধু উল্টা তার ঘরবাড়ী থেকে উচ্ছেদ করেছে সে এখন পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে এমন একটি থানায় অভিযোগ দায়ের করে । অথচ মধুর নিজের বাড়ী রয়েছে একই জায়গায় সেখানে সে বসবাস করে আসছে।

অভিযোগ পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে তদন্ত করে উভয় পক্ষকে থানায় জমির প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে আসতে বলে। উভয় পক্ষ এলাকার গন্যমান্যদের নিয়ে থানায় এসে কাগজ পত্র দাখিল করে। এতে দেখা যায় আইয়ুব আলী গাজী তার দীর্গ দিনের ভোগদখলীয় বসত বাড়ী সহ ৮শতক জমি দফাদার আব্দুস সাত্তারের জামাই মেয়ের কাছে বাজার মূল্যে বিক্রয় করে বলে প্রমানীত হয়। এর পরেও হয়রানী করার জন্য থানা ও আদালতসহ বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ও সংবাদ সম্মেলন করে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন