হোম অন্যান্যসারাদেশ ব্যাপক অনিয়মের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচন, দুই মেয়র ও তিন কাউন্সিলরসহ ৫ প্রার্থীর ভোট বর্জন

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ব্যাপক অনিয়মের মধ্যে শেষ হলো সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা নির্র্বাচন। ভোট গ্রহন শুরুর কয়েক ঘন্টার মধ্যে ভোট জালিয়াতি, কেন্দ্র থেকে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সব এজেন্টকে বের করে দিয়ে মারধর করা, বিএনপি প্রার্থীকে লাঞ্ছিত করাসহ নানা অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফুজ্জামান তুহিন ওে নার্গিস সুলতানা। পুলিশ বিএনপি প্রার্থী তুহিনকে গলাধাক্কা দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়।

গোপীনাথপুর কেন্দ্রে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাম্যান পলাশকে কলার ধরে টেনে বের করে আনে পুলিশ। প্রিক্যাডেট স্কুল কেন্দ্রে দৈনিক মানবজমিনের সাংবাদিক ইয়ারব হোসেনকে পুলিশ লাঞ্ছিত করে। নয়টি কেন্দ্রের সবক’টি থেকে নৌকা ছাড়া অন্য সব প্রার্থীর এজেন্টদের গালিগালাজ এমনকি মারধর করে বের করে দেয় পুলিশ। এ সময় প্রিসাইডিং অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নীরব থাকতে দেখা যায়। দুপুরে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে আসাদ খান, মোজাহিদুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম নামের তিন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ভোট বর্জন করেন।

শীতের আড়ষ্টতা ও কুয়াশার চাদর ভেদ করে উৎমবমুখর পরিবেশে সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের ভিড় দেখা যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার সংখ্যাও বাড়তে থাকে। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে এমন খবর জানার পর ভোটাররা হতাশ হয়ে ফিরে যান। এদিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের চাপের মুখে ভোটের মাঠ থেকে শুক্রবার সরে দাঁড়ান স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী।

তাকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করতে তার সমর্থক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে, গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারীরা বৃহস্পতিবার রাতে তুলে নিয়ে যাবার পর থেকে তিনি শনিবার বিকাল পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

s

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন