হোম জাতীয় ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন

ড. খলিলুর রহমানকে চীন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 57 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দুই প্রতিবেশী দেশ চীন ও ভারতের শীর্ষ কূটনীতিকরা। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পৃথক বার্তায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই শুভেচ্ছা জানান।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে এটিই তার জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন বার্তা। এই দুই দেশের কূটনীতিকদের এমন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ-চীন ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ঘনিষ্ঠতার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তার অভিনন্দন বার্তায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অতীতে হওয়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ওয়াং ই আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতে চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক এক নতুন এবং অনন্য উচ্চতায় উন্নীত হবে। বেইজিংয়ের এই বার্তা স্পষ্ট করে যে, তারা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক উন্নয়নের প্রশ্নে দীর্ঘমেয়াদী কাজ চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তার বার্তায় দুই দেশের পারস্পরিক অগ্রগতি ও জনকল্যাণের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান শক্তিশালী সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে তিনি ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা রাখেন।

জয়শঙ্করের এই অভিনন্দন বার্তায় মূলত অভিন্ন সমৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। ভারতের এই কূটনৈতিক সদিচ্ছাকে দুই দেশের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনার নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ড. খলিলুর রহমান এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তার এই দীর্ঘ কূটনৈতিক ও কৌশলগত অভিজ্ঞতার কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা তার ওপর বিশেষ আস্থা প্রকাশ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নতুন সরকারের অবস্থান সুদৃঢ় করতে এবং ভূ-রাজনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে ড. খলিলুর রহমানের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আজই পৃথকভাবে দুই দেশের দূতাবাসের পক্ষ থেকেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিনন্দন পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন