হোম জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী

স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 40 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিনই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তারেক রহমান। শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় নিজের মনোভাব লেখেন তিনি।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী সেখানকার পরিদর্শন বইয়ে সইয়ের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ করেন।

পরিদর্শন বইয়ের পাতায় দেখা যায়, একেবারে বাঁয়ে প্রথম সারিতে আজকের তারিখ লিখেছেন তিনি। এরপরের সারিতে নিজের নাম ‘তারেক রহমান’ ও পরিচয়ের সারিতে লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’। পরের সারিতে মন্তব্যের জায়গায় প্রায় ১৫০ শব্দে নিজের মন্তব্য লেখেন তিনি। সর্ব ডানে করেন স্বাক্ষর।

পরিদর্শন বইয়ের মন্তব্য সারিতে তিনি লেখেন, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যারা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।’

তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রিসভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি, যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎকালে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সব শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদেরকে জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করেন। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সব শহীদের মাগফিরাত কামনা করছি।’

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের আগমনকে কেন্দ্র করে স্মৃতিসৌধ এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন। মহাসড়কে বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। ডগ স্কোয়াড ও বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের মহড়া দেওয়া হয়। এ ছাড়া পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা আনা হয় সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন