নিউজ ডেস্ক:
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি বিভাগ পাঁচটি উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলপিজি আমদানি বাড়তে পারে এবং বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আমদানিকারকেরা জানিয়েছেন, সরবরাহ সংকট পুরোপুরি কাটতে এখনও কিছুদিন সময় লাগবে।
এলপিজি ব্যবসায়ীরা বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাবি মেনে নেওয়া না হলে দেশজুড়ে বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এলপিজি আমদানি বাড়ানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংককে ঋণপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বিইআরসিকে পাঁচটি কোম্পানিকে অতিরিক্ত আমদানির অনুমতি দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতি আজ বিকেলে বিইআরসির সঙ্গে বৈঠক করবে। বৈঠকের পর নতুন সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এলপিজি বিক্রি পুনরায় শুরু হবে বা বন্ধ রাখা হবে।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানান, এখনই সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়, তবে আমদানি বাড়ানোর জন্য ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই বাজারে এলপিজির সরবরাহ বাড়বে।
জ্বালানি বিভাগের পাঁচটি উদ্যোগ; ১. ঋণপত্র (এলসি) খোলার প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি প্রেরণ। ২. আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট হ্রাসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ। ৩. পাঁচটি কোম্পানিকে অতিরিক্ত এলপিজি আমদানি করতে বিইআরসিকে অনাপত্তি দেওয়ার জন্য চিঠি। ৪. জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ। ৫. চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর সংলগ্ন স্টোরেজ পরিদর্শনের মাধ্যমে এলপিজি সরবরাহ চেইনের প্রকৃত অবস্থা জানার জন্য কর্মকর্তাদের অফিস আদেশ প্রদান।
