হোম অর্থ ও বাণিজ্য আমদানিতে লাগাম টানা যাচ্ছে না কাঁচা মরিচের!

বাণিজ্য ডেস্ক:

কাঁচা মরিচের ঊর্ধ্বমুখী দামে দিশেহারা ভোক্তারা। পাশাপাশি বাড়ছে পেঁয়াজ ও আদার দামও। এ অবস্থায় ঈদের ছুটিতে আমদানি বন্ধ হওয়ায় কাঁচা মরিচের বাজার আরও চড়া হওয়ার শঙ্কার কথা জানান বিক্রেতারা।

মঙ্গলবার (২৭ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বেশ কয়েক দিন ধরেই অস্থির কাঁচা মরিচের বাজার। কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ টাকার ওপরে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির বেচাকেনায় বেশ ব্যস্ততা থাকলেও, পরিমাণে কম কিনছেন ভোক্তারা।

ক্রেতারা বলেন, সোমবার কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও; এক দিনের ব্যবধানে আজ (মঙ্গলবার) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। আর বিক্রেতারা বলেন, কাঁচা মরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী হলেও কিছু করার নেই। সবাই কিনতে বাধ্য। তবে পরিমাণে কম কিনছেন ভোক্তারা।

কাঁচা মরিচের ঊর্ধ্বমুখী বাজার নিয়ন্ত্রণে রোববার (২৫ জুন) কৃষি মন্ত্রণালয় মরিচ আমদানির অনুমতি দেয়। আমদানির অনুমতির পর দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ এলেও; প্রভাব পড়ছে না দেশের বাজারে।

তবে বিক্রেতারা দিচ্ছেন মাত্র ২০ টাকার সুখবর। দুদিনে কেজিতে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেড়ে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রির পর কেজিতে মাত্র ২০ টাকা কমেছে মরিচের দাম। অনেক দোকানে আবার বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।

এদিকে ভারত থেকে মরিচ আসায় নতুন করে দাম না বাড়লেও ঈদের ছুটিতে ছয় দিনের বর্ডার বন্ধের খবরে আবারও দাম বাড়ার শঙ্কার কথা জানান বিক্রেতারা। তারা বলেন, কেজিতে ২০ টাকা কমেছে মরিচের দাম। তবে আমদানি বন্ধ থাকায় আরও বাড়তে পারে দাম।

এ ছাড়া মরিচের ঝালে যখন নাকাল ক্রেতা-বিক্রেতা, তখন বাড়তি চাহিদায় দাম বাড়ছে পেঁয়াজেরও। বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহের চেয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম চলতি সপ্তাহে বেড়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত। বাড়তি দেশি পেঁয়াজের দামও।

এ অবস্থায় অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধিতে হঠাৎ এভাবে লাগামহীন হয়ে পড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কঠোর হওয়ার দাবি ভোক্তাদের। তারা বলেন, প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়তি, যা ভোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। সরকারকে বাজার নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হতে হবে।

আদার বাজারেও একই অবস্থা। ক্রেতারা আদার বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানালেও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে এই পণ্যটির বাজারও। বিক্রেতারা বলেন, গত সপ্তাহে আদার দাম কিছুটা কমলেও চলতি সপ্তাহে আবারও বাড়তে শুরু করেছে দাম।

তবে ঈদের আগে ক্রেতার নাভিশ্বাস তোলা বাজারে রসুন বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন