হোম জাতীয় তুরাগতীরে আবারও উচ্ছেদ অভিযান, চলবে নিয়মিত

জাতীয় ডেস্ক:

নোটিশ দেয়ার পরও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেয়ায় আবারও তুরাগতীরে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে টিনশেড ঘর। এ সময় অভিযানে উদ্ধার হওয়া মালামাল নিলামে তোলা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) এ অভিযান চালানো হয়।

এর আগে গত ৩১ মে অভিযান চালিয়ে একটি টিনশেড ঘর ভেঙে দিয়ে মালামাল সরাতে এক সপ্তাহ সময় দেয় বিআইডব্লিউটিএ। কিন্তু দখলদাররা মালামাল না সরিয়ে উল্টো চারপাশে দেয়াল টেনে গাছ লাগিয়ে আরও পাকাপোক্ত করে জায়গা দখল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ১৪ দিন পর আজ (বৃহস্পতিবার) আবারও অভিযান চালিয়ে মালামাল নিলামে তোলে বিআইডব্লিউটিএ।

অভিযানে অংশ নেয়া বিআইডব্লিউটিএ-র ল্যান্ড অ্যান্ড এস্টেটের পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘একবার আমরা এখানে অভিযান চালিয়েছি। আবার তারা ঘরবাড়ি তুলে মেরামত করেছে, গাছ লাগিয়ে দখলে রাখার চেষ্টা করেছে। আমাদের বেঁধে দেয়া সময়ে দখলদাররা একটা মালামালও সরায়নি। যে কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে আবারও অভিযান চালানো হয়েছে।’

তবে দখলের অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্তরা। কেনা জমিতে চালানো অভিযানকেই অবৈধ বলছেন তারা।

এক দখলদার বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে তিনটি অস্থায়ী শেডের ওয়্যার হাউস ছিল। ছোট-বড় আরও কয়েকটি স্থপনা ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি না নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ ক্ষমতার অপব্যবহার করে তা গুঁড়িয়ে দিয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নাল জমি ভরাট করে স্থাপনা তৈরি করা অবৈধ। দখলদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে।

বিআইডব্লিউটিএ-র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, ‘আমরা সরকারি দায়িত্ব পালন করছি। সরকারের উদ্দেশ্য নদীগুলোর ধারা অব্যাহত রাখা এবং নদীর প্রবাহ ঠিক রাখা। আমাদের সেই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

বিআইডব্লিউটিএ-র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান মারুফ বলেন, নদীতীর দখলদারদের সময় দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়নি। যে কারণে আবার অভিযান চালানো হয়েছে।

দখলদাররা মালামাল না সরালে অবৈধ স্থাপনার সব মালামাল নিলাম করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন