হোম আন্তর্জাতিক মানুষের ভালোবাসায় পোষ মানল কুমির, ১৪ বছরের সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

প্রাণি জগতে হিংস্র হিসেবে কুমির বেশ পরিচিত। তবে মানুষের ভালোবাসা পেলে যেকোনো হিংস্র প্রাণি যে বন্ধু হতে পারে, তারই প্রমাণ মিলল আয়ারল্যান্ডের ব্যক্তি মালিকানাধীন এক চিড়িয়াখানায়।

আয়ারল্যান্ডের চিড়িয়াখানায় কুমিরের সংখ্যা খুবই কম। তাই দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দিতে নিজেই একটি কুমির কেনেন ‘ন্যাশনাল রেপটাইল জু’- এর কর্ণধার জেমস। ১৪ বছর আগে কুমিরটিকে তিনি যখন তার নিজ চিড়িয়াখানায় নিয়ে আসেন, তখন এর নাম রাখেন ‘লাফলোর’।

সেই থেকেই এ নাম ধরে ডাকা শুরুর কিছুদিন যেতেই কুমিরটি লাফলোর ডাক শুনেই ছুটে আসে জেমসের কাছে। পোষ মেনেছে আর দশটা স্বাভাবিক পোষা প্রাণির মতোই।

কীভাবে হিংস্র এ প্রাণিটি এতটা বন্ধুসুলভ হলো, তার বর্ণনা দিলেন চিড়িয়াখানাটির কর্ণধার ও এখানে কাজ করা কর্মীরা।

জেমস বলেন, লাফলোর (কুমির) আমার কাছে রয়েছে প্রায় ১৪ বছর ধরে। প্রতিদিনই আমি তাকে খাবার দেই। বিভিন্ন শব্দ শেখানোর চেষ্টা করি, যেগুলোর বেশিরভাগই সে এখন বোঝে। আমি যেদিকে যেতে বলি সেদিকেই যায়।

চিড়িয়াখানার অন্য কর্মীরা জানান, কুমিরটি আমেরিকান প্রজাতির। তাকে যখন নাম ধরে ডাকা হয় সে কাছে চলে আসে। সে এখন অনেকটাই বন্ধুসুলভ আচরণ করে। সময় দিলে এবং ঠিকমতো প্রশিক্ষণ দিলে কুমিরও যে মানুষের বন্ধু হতে পারে, এটি তারই প্রমাণ।

কুমিরের সঙ্গে মানুষের এ ভালোবাসা দেখতে চিড়িয়াখানায় স্থানীয়দের পাশাপাশি ছুটে আসেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। এছাড়া হাজারো ব্যস্ততা সত্ত্বেও দিনে একবার হলেও লাফলোর নামের কুমিরটিকে দেখতে হাজির হন তার মালিক জেমস।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন