হোম অন্যান্যসারাদেশ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

নড়াইল অফিস :

বিশ্ব বরেন্য চিত্র শিল্পী এস এম সুলতান মেলায় নিন্ম মানের খাবার বিক্রয়ের প্রতিবাদ করায় এলাকার সাধারন জনগন এবং সাধারন ছাত্রদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মেলায় সঠিক তদারকী না করায় মেলা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে সচেতন নাগরিক ও সাধারন শিক্ষার্থীবৃন্দের আয়োজনে এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ তোফায়েল মাহমুদ তুফান, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আকাশ ঘোষ রাহুল, সাধারন সম্পাদক সিদ্ধার্থ সিংহ পল্টু, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক ইয়ামিন মোল্যা, ভুক্তভোগি পরিবারের সদস্য মিম খাতুন প্রমূখ।

এসময় বক্তরা অভিযোগ করেন, সুলতান মেলার নামে জেলা প্রশাসন ব্যবসা করছেন। লাখ লাখ টাকায় মেলার স্টল বিক্রী করেছেন। অথচ মেলার কোন নিয়ম-শৃখলা নেই। নিন্ম মানের খাবার বিক্রী হচ্ছে স্টলগুলোতে। আর এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে সাধারন মিক্ষার্থীদের নামে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান, পাশাপাশি মেলা বন্ধেরও দাবি করেন বক্তরা। মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষনার হুমকি দেন বক্তরা।

এসময় জেলা, সদর উপজেলা, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগ. ও নড়াইল পৌর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ সাধারন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সাথে শনিবার কিবাল সাড়ে ৪টার দিকে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

উল্লেখ্য, নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান মেলার রানা ভাইয়ের দই ফুসকা দোকানের মালিক মোঃ মনসুর রানার কাছে চাঁদা দাবি করে না পেয়ে ছাত্রলীগের কর্মিরা হামলা ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় দোকান মালিকসহ ৮ জন কর্মচারী আহত হয়েছে।

চাঁদা দাবী ও হামলা ভাংচুরের ঘটনায় মনসুর রানা বাদী হয়ে ৫জনকে আসামী করে ও অজ্ঞাত ৮জন উল্লেখ করে নড়াইল সদর থানায় বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৮।

পুলিশ মামলার আসামী দক্ষিন নড়াইলের নাছির উদ্দিনের ছেলে বিনতে হাবিব বর্ষন ও কামাল মোল্যার ছেলে অনিক মোল্যাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলায় অভিযোগ করেন, সুলতান মেলায় দোকান দেওয়ার শুরু থেকে আমার কাছে জয়, মিজান, বর্ষন,অনিকসহ অজ্ঞাত ৮/৯ জন ১০ হাজার টাকা দাবী করে। আমি দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। সেই কারনে বুধবার সন্ধায় আমার দোকানে এসে হামলা ভাংচুর করে ৫০/৬০ হাজার টাকার ক্ষতি করে। এতে করে আমি সহ আমার দোকানের কর্মচারী নাজমুল, মাহফুজার, ডিপজল, জিহাদ, রানাসহ ৮জন আহত হয়।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন