হোম ফিচার নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম, ৩টি বাড়ি ভাংচুর

নড়াইল অফিস :

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এনামুল হক এনা কে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।

মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এনা মেম্বরের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। এনা মেম্বর পুরুলিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে

পাল্টা প্রতিশোধে প্রতিপক্ষ খায়রুজ্জামান সহ ৩ বাড়ি ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছে এনা মেম্বরের লোকজন। এছাড়া হিমু (৪০) নামের একজন কুপিয়ে আহত করেছে।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, গত ইউপি নির্বাচন থেকে রঘুনাথপুর গ্রামের এনা মেম্বর ও খায়রুজ্জামানের মধ্যে দ্বন্দ চলে আসছিলো। এর জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হন এনা মেম্বর।

এনার ছোট ভাইয়ে স্ত্রী লতা বেগম বলেন, জোহর নামাজ পড়ে ফেরার পথেই খায়রুজ্জামান গ্রুপের লোকেরা অতর্কিত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আক্রমন করে। তারা এনা মেম্বরকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এনাম মেম্বরের স্বজনেরা বেরিয়ে এলে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষ।

তিনি আরো বলেন, দায়ের কোপে এনা মেম্বরের বাম হাতের ৩টি আঙ্গুল কেটে পড়ে যায় এবং হাত পায়ে একাধিক কোপে মারাত্মক ভাবে জখম হয়। তাকে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে আনলে অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত খুলনায় প্রেরন করা হয়।

খায়রুজ্জামানের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, এনা মেম্বর গ্রুপের লোকেরা জোর করে আমাদের ঘরে ঢুকে আসবাপত্র ভাংচুর করে। এসময় ৩টি আলমারী, ওয়ারডোব, একটি মোটর সাইকেল, টিভি ভাংচুর সহ দশ ভরি স্বর্নালংকার ও নগদ দুই লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, এসময় আমাদের পক্ষের সুবেদার (অবঃ) তমিজিদ ও ইকরামুল শেখের বাড়ির ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এছাড়া রঘুনাথপুর গ্রামের সাকায়েত হোসেনের ছেলে হিমু (৪০) কে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেছে তারা।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমিম আলম জানান, ঘটনার পর থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে আছে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন