হোম জাতীয় ’৭৭ সালে গণফাঁসি: জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি স্বজনহারাদের!

জাতীয় ডেস্ক :

১৯৭৭ সালে সেনা ও বিমানবাহিনীর এক হাজারের বেশি সদস্যের গণফাঁসির সঙ্গে জড়িত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবি ওঠেছে। কুমিল্লার টাউন হল মাঠে ‘মায়ের কান্না’ নামে একটি সংগঠন আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান।

চোখের পানি শুকিয়েছে। এখন শুধু বাষ্পজমা কান্না। নির্বাক চাহনি বুঝিয়ে দিচ্ছে স্বজন হারানো এক কষ্ট নিয়ে এখন বেঁচে আছেন এই বৃদ্ধ। আশা, একদিন সব অন্যায়ের ন্যায্যতা আসবে। কুমিল্লা টাউন হল মাঠ থেকে শনিবার বিকেলে তোলা ছবি।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে এছাড়াও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে স্বজনহারারা বলেন, দেরিতে হলেও তারা চান এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হোক।

তাদের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে। এখন শুধু বাষ্পজমা কান্না। প্রলেপ পড়েনি কারোরই হৃদয়ের ক্ষতে। কেবল স্বজন হারানো পাথরচাপা একবুক কষ্ট নিয়ে এখনো বেঁচে আছেন এ আশায় যে, একদিন সব অন্যায়-অবিচারের ন্যায্যতা আসবে।

ন্যায্যবিচার দাবিতে এদিন কুমিল্লায় টাউন হল মাঠে সমাবেত হয়েছিলেন ১৯৭৭ সালে কথিত এক বিদ্রোহ দমনের নামে গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনালে ফাঁসি হওয়া এক হাজারেরও বেশি সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যের স্বজনরা। এ সময় তারা অভিযোগ করেন, এ গণফাঁসির ঘটনায় জিয়াউর রহমান সরাসরি যুক্ত ছিলেন।

পঁয়তাল্লিশ বছর আগে কাউকে দেয়া হয়েছিল ফাঁসি, কাউকে কাউকে দেয়া হয়েছিল বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। আর সবার গায়ে লেগেছিল কলঙ্কের দাগ। তারা এখন জানতে চান- তাদের বাবা, স্বামী বা ভাইদের মরদেহ কোথায় ফেলা হয়েছে, কবরই বা কোথায় দেয়া হয়েছিল। তাদের একটাই প্রশ্ন: কোনো অপরাধ ছাড়াই কেন তাদের স্বজনদের হারাতে হলো।

দীর্ঘ সময় পরে হলেও সঠিক ইতিহাস উঠে আসুক। সাত দফা দাবি বাস্তবায়ন হোক – এমন প্রত্যাশা স্বজনহারাদের।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বেছে বেছে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিল, ফাঁসি কার্যকর করেছিল। শুধু হত্যাই করেনি; অনেককে গুম করেছে। এ গুমের রাজনীতি শুরু করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

অন্যায়ভাবে স্বজনদের হারানো এ কান্না মুছবে না কখনো। তবে বিচারে ন্যায্যতা পেলে হয়তো কিছুটা হলেও কমবে হৃদয়ের ক্ষত – এমনটাই মনে করেন তারা।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন