আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে অব্যাহত রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে অঞ্চলটি। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা না হলেও প্রতিবেশী মলদোভাতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ইউক্রেনের জ্বালানি উত্তোলন কেন্দ্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়েছে রাশিয়া। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেতে বাঁচতে সাধারণ জনগণকে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন লভিভের মেয়র আন্দ্রি সাডোভি। ক্রমাগত হামলার কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে পশ্চিমাঞ্চলের লভিভ।
আন্দ্রি সাডোভি বলেন, শিশুদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং এই হামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিভাবকদের তাদের বের না হতে অনুরোধ করা হয়েছে।
কিয়েভ অঞ্চলের প্রধান বলেন, ইউক্রেনের ওপর ফেলা প্রতিটি বোমার বিস্ফোরণে মলদোভা ও আমাদের জনগণ এবং বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ধ্বংসাত্মক এ যুদ্ধ এখনই বন্ধ করতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর গত ১৫ নভেম্বর মলদোভার বেশিরভাগ অংশ জুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। কেননা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে মলদোভার সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।
মলদোভার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকু পোপাসকু গত ১৫ নভেম্বর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এক টুইট বার্তায় বলেছিলেন, ‘ইউক্রেনের বিভিন্ন নগরী ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হওয়ায় মলদোভার অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যা দেখা দিয়েছে।
১৫ নভেম্বর ইউক্রেনে প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যার ফলে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মলদোভা অতিরিক্ত দামে রোমানিয়া থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে বাধ্য হবে। তা না হলে ব্ল্যাকআউটের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।
