হোম আন্তর্জাতিক ৩০ সেপ্টেম্বর মমতার ভাগ্যনির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভবানীপুর আসন ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জ আসনেও একই দিনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভবানীপুর আসনের তৃণমূল বিধায়ক দেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করায় ওই আসনটি খালি হয়।

এদিকে ভবানীপুর আসন থেকেই বিধায়ক হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি বছরের পয়লা এপ্রিলে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণে নন্দীগ্রামে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০০ রামে ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায় কয়েক হাজার ব্যবধানে ফিরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ও তার দলের বিপুল জয় তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিধায়ক নির্বাচিত না হওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী করে তাদের দল।

আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে বিধানসভায় আসতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বর্তমান করণা বাস্তবতায় উপ নির্বাচন সম্ভব কিনা সেটা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তৈরি। রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে নির্বাচন না করার সুপারিশ করা হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও উপনির্বাচন সঠিক সময়ে করার দাবি জানানো হয়। এমন বাস্তবতায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা আসন সহ বাকি দুটি আসনের নির্বাচনে নির্ঘণ্ট ও প্রকাশ করল।

ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিশেষ অনুরোধে ভবানিপুর আসনের উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কমিশন কোভিড-১৯ সুরক্ষার যাবতীয় বিধিনিষেধ সাধ্যমত অনুসরণের চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়েছে।

গত ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়ক না হওয়ায় সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, তাকে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন জিতে আসতে হবে। তাই উপনির্বাচনের জন্য তদবির চালাচ্ছিল তৃণমূল।

যদিও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির জন্য উপনির্বাচনের বিরোধিতা করে আসছিল বিজেপি। শেষপর্যন্ত উপনির্বাচন নিয়ে বিজেপির আপত্তি ধোপে টেকেনি। শুধুমাত্র ভবানীপুরেই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন