হোম জাতীয় ১৭ মে দেশের ইতিহাসের এক টার্নিং পয়েন্ট: স্পিকার

জাতীয় ডেস্ক :

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং তাদের ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরিয়ে দিতে নিরলস সংগ্রাম করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেদিন ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক টার্নিং পয়েন্ট। যদি সেদিন তিনি আওয়ামী লীগের দায়িত্ব না নিতেন, স্বজন হারানো ব্যথা ভুলে যদি ফিরে না আসতেন তাহলে আজ অন্যরকম হতো।

তিনি বঙ্গবন্ধুর মতোই এদেশের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছেন। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করে বাংলাদেশকে একটি দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা বলেন স্পিকার।

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে তার জীবন ও কর্মের ওপর রাজধানীর শেরাটন হোটেলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে স্পিকার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শেখ হাসিনার জীবন ও কর্মের নতুন অনেক তথ্য পাওয়া যায়।

শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থেকেও মানুষের কথা বলেছেন, দেশের সরকার প্রধান হিসেবেও এখনও বলছেন। তার গণতান্ত্রিক জীবনের চিন্তাগুলো আরও ছড়িয়ে দিতে হবে নতুন প্রজন্মের মাঝে, যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, তাদের ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরিয়ে দিতে নিরলস সংগ্রাম করে গেছেন। যে স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু, তারই কন্যা শেখ হাসিনা জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন।

স্পিকার বলেন, পঁচাত্তর বছর জীবনকালে শেখ হাসিনার যে সংগ্রাম কর্মময় জীবনের যে ব্যাপ্তি তা মানুষের কাছে, নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। অনেক দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের হাল ধরেছেন। ১৯৭৫ এর পনের আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্যদিয়ে দেশের ইতিহাসকে যেভাবে ভিন্নপথে প্রবাহিত করা হচ্ছিল, সে জায়গা থেকে দেশের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম করেছেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সেদিন ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক টার্নিং পয়েন্ট। যদি সেদিন তিনি আওয়ামী লীগের দায়িত্ব না নিতেন, স্বজন হারানো ব্যথা ভুলে যদি ফিরে না আসতেন তাহলে আজ অন্যরকম হতো।

এদেশের লাখো মানুষ তাকে সমর্থন দিয়েছিলেন। সেই থেকে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে চলেছেন তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিষ্ময়কর উল্লেখ করে বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।

এসময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশে কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনেইট প্রিফন্টেইন, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফত উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন